ইজাহারকে শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন

প্রকাশ:| সোমবার, ১০ আগস্ট , ২০১৫ সময় ০৮:৫৯ অপরাহ্ণ

মুফতি ইজাহারুল ইসলামদুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় হেফাজত নেতা মুফতি ইজাহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলী। আদালত ১২ আগস্ট ইজাহারের উপস্থিতিতে এ আবেদনের উপর শুনানির সময় নির্ধারণ করেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মীর রহুল আমিন এ আদেশ দিয়েছেন।

ওই আদালতে শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদনটি দাখিল করেন বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী।

তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে আছে। ইতোমধ্যে মামলা বাদি দুদকের সহকারি পরিচালক সিরাজুল হক সাক্ষ্য দিয়েছেন। ইজাহারুল ইসলাম যেহেতু গ্রেপ্তার হয়েছেন তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো আবেদন করেছি। আদালত ইজাহারকে বুধবার হাজির করতে বলেছেন। এরপর শুনানি হবে।

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ থাকায় বিবরণী জমা দিতে মুফতি ইজাহারকে ২০১৩ সালের ৪ জুলাই নোটিস ইস্যু করা হয়। কিন্তু তিনি নোটিস গ্রহণ না করায় ৭ জুলাই দুদকের কর্মকর্তারা লালখান বাজারে ইজাহারের প্রতিষ্ঠিত জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসায় সেটি টাঙিয়ে দেন। দুদকের নোটিসের জবাব না দেয়ায় একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর নগরীর খুলশী থানায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় মামলা করেন দুদক চট্টগ্রামের উপ-সহকারী পরিচালক সিরাজুল হক।

২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে নগরীর লালখান বাজারে মুফতি ইজাহারুল ইসলাম পরিচালিত জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচজন ছাত্র আহত হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন ছাত্র মারা যায়।

এ ঘটনায় দায়ের হওয়া তিনটি মামলাও বর্তমানে বিচারের পর্যায়ে আছে।

বিস্ফোরণের পর থেকে গত দু’বছর পলাতক মুফতি ইজাহারকে চলতি বছরের ৭ আগস্ট লালখান বাজারে তার মাদ্রাসা থেকে আটক করা হয়।

হরকাতুল জিহাদের কথিত প্রতিষ্ঠাতা, জঙ্গী সম্পৃক্ততার অভিযোগে আলোচিত-সমালোচিত মুফতি ইজ‍াহারুল ইসলাম ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের সভাপতি। নেজামে ইসলাম পার্টির একাংশের সভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্বে আছেন।


আরোও সংবাদ