ইজহারুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বোতল পিকরিক এক্সপ্লোসিভ এসিড উদ্ধার

প্রকাশ:| সোমবার, ৭ অক্টোবর , ২০১৩ সময় ০৯:৩৭ অপরাহ্ণ

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

হেফাজত ইসলামীর নায়েবে আমির মুফতি ইজহারুল ইসলামের শয়নকক্ষ থেকে ১৮ বোতল পিকরিক এক্সপ্লোসিভ এসিড উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে এসিডের বোতলগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে ওই কক্ষে তখন মুফতি ইজহার ছিলন না।

এদিকে রাত সাড়ে ৮টা পর থেকে মুফতি ইজহার পরিচালিত পাহাড় পরিবেষ্টিত জমিয়তুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদরাসাটির বিভিন্ন স্থানে আরো র‌্যাব-পুলিশের সংখ্যা বাড়িয়ে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অবশ্য মাদরাসা থেকে কাউকে আটক হয়নি এখনো।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) হারুনুর রশীদ হাজারীর নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ, রিজার্ভ পুলিশ, গোয়েন্দা পুলশ অভিযানে অংশ নিয়েছে।

এছাড়া র‌্যাব-৭ এর উপ-অধিনায়ক মেজর জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক র‌্যাব অভিযানে অংশ নিয়েছে।

রাত সাড়ে ৮টার সময় ছাত্রাবাস ও মাদরাসা শিক্ষকদের ঘরে তল্লাশি চালানোর জন্য নারী পুলিশও অভিযানে নামানো হয়েছে।

এর আগে সন্ধ্যায় বিস্ফোরিত ছাত্রাবাসের কক্ষে শক্তিশালী বিস্ফোরকের আলমত সংগ্রহ করে। বিস্ফোরকের অস্তিত্ব পাওয়ার পর র‌্যাব-পুলিশ ব্যাপক অভিযান শুরু করে। পরে বিভিন্ন ছাত্রবাস থেকে তিনটি হ্যান্ড গ্রেনেড ও ৫০টির বেশি গ্রেনেডের খোসা উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, খুলশী থানার লালখান বাজারস্থ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জমিয়তুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদরাসায় সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পরপরই চতুর্থ তলার মাদরাসাটির কিতাব রুমে আগুন ধরে যায়। এতে দরজা জানালার থাই গ্লাস ভেঙে গেছে। রুমের চেয়ার টেবিলসহ আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় ৯ ছাত্র আহত হয়েছে।

খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের খবর দিলে তারা মাদরাসায় ছুটে যায়। মাদরাসায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করে।

তবে ঘটনার পর মাদরাসার পরিচালক মুফতি হারুণ ইজহার বলেন, ‘মাদরাসার একটি ছাত্রবাসে আইপিএস সংযোগ দেয়ার সময় মেশিন বিস্ফোরিত হয়েছে।’ তবে এরপর থেকে মুফতি ইজহার ও হারুণ ইজহারের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের কোথায়ও পাওয়া যাচ্ছে না। দু’জনের খবরও কেউ বলতে পারছেন না।