ইক্যুইটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশ:| বুধবার, ১৬ মার্চ , ২০১৬ সময় ০৯:২৫ অপরাহ্ণ

১০ তলা ভবনের চারপাশে তিন মিটার করে জায়গা খালি রাখার নিয়ম থাকলেও ইক্যুইটি প্রপার্টিজ ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ১৪ তলা ভবনের ক্ষেত্রেও নিয়মটি মানেনি। অথচ চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অনুমোদিত নকশায় তিন মিটার জায়গা খালি রাখা হবে দেখানো হলেও ভবনের পেছনের দিকে এক মিটার কম খালি রাখায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সিডিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খিন ওয়ান নু’র নেতৃত্বে বুধবার বিশেষ অভিযানে প্রবর্তক মোড়ে ডক্টরস ল্যাবের পাশে ইক্যুইটি প্রপার্টিজের নির্মাণাধীন ভবনটির মালিককে জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে নকশা বহির্ভূত অংশটি ভেঙে ফেলারও নির্দেশ দেওয়া হয়।

এখানেই শেষ নয়, তিন কার্যদিবসের মধ্যে অনুমোদিত নকশাটি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে সিডিএতে যাওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযান অংশ নেন সিডিএর ডেপুটি চিফ টাউন প্ল্যানার শাহিনুল ইসলাম খান, অথরাইজড অফিসার মো. ইলিয়াস, সহকারী অথরাইজড অফিসার তানজীব হোসেন, সেকশন অফিসার জাকির হোসেন, ইমারত পরিদর্শক তোফায়েল আহমদ, মো. শাহাদাত হোসেন, মিজানুর রহমান, পেশকার ফয়েজ আহমদ প্রমুখ।

শাহিনুল ইসলাম খান বলেন, কোনো ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান সিডিএ অনুমোদিত নকশার ব্যতিক্রম ঘটাবে কিংবা ১০ তলার বেশি উঁচু ভবনের ক্ষেত্রে চারদিকে তিন মিটার জায়গা খালি রাখার নিয়ম জানবে না এটি মেনে নেওয়া কষ্টকর। বাস্তবতা হচ্ছে অভিযানকালে ইক্যুইটি প্রপার্টিজের ১৪ তলা ভবনটির তিন দিকে তিন মিটার করে জায়গা খালি পেলেও ভবনের পেছনের দিকে দুই মিটার জায়গা খালি পাওয়া যায়।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উল্টো দিকে পিডব্লিউডির আবাসিক এলাকা হলেও সেখানে সবই বাণিজ্যিক ভবন। এ বিষয়ে ২০ মার্চ মন্ত্রণালয়ে সভা হওয়ার কথা রয়েছে, আবাসিক থেকে বাণিজ্যিকে রূপান্তর করার ব্যাপারে। সেক্ষেত্রে অবশ্য বিধি অনুযায়ী সিডিএ থেকে পুনরায় ভবনগুলোর নকশা অনুমোদন নিতে হবে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযানকালে ইক্যুইটি প্রপার্টিজের ভবন ছাড়া একই এলাকার আরও ৭টি ভবনের মালিককে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে অনুমোদিত নকশা নিয়ে সিডিএতে যোগাযোগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সিডিএর একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটির স্বার্থে বিলবোর্ড উচ্ছেদের মতো সিডিএর নকশা বহির্ভূত ভবন, একরকম নকশা নিয়ে অন্যরকম ভবন তৈরি, নিচতলা বা বেইজমেন্টের পার্কিং স্পেসে দোকান, গুদাম বা বাণিজ্যিক ব্যবহার, ভবনের চারপাশে নিয়ম অনুযায়ী খালি জায়গা রাখা না হলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।


আরোও সংবাদ