আ. লীগের আরও অন্তত ৪ বার ক্ষমতায় যাওয়া দরকার: কাদের

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৬ মে , ২০১৭ সময় ০৯:৫২ অপরাহ্ণ

পদ্মাসেতুর পর আরিচা-পাটুরিয়ায় সেতু নির্মাণসহ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে টানা দুই মেয়াদ ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের ধারাবাহিকতা আরও দীর্ঘায়িত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, “আমরা একটা (পদ্মা সেতু) শেষ করছি, ভবিষ্যতে আর কোনটা করব চিন্তা করছি। আরেকট প্রপোজাল আমাদের কাছে আছে, সেটা হল আরিচা থেকে গোয়ালন্ধ-পাটুরিয়া (সেতু)।”

এসব উন্নয়ন করার জন্য সরকারের অন্তত আরও চারবার ক্ষমতায় থাকার প্রয়োজনীয়তা দেখিয়ে কাদের বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের টানা দুইবার ক্ষমতায় থাকার কারণে এবার উন্নয়ন হয়েছে অনেক বেশি। ১৯৯৬-এ টানা ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়ন অনেক বেশি হত। অনেক আগেই বাংলাদেশ আজকের অবস্থায় পৌঁছে যেত।

“দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য সরকারের ধারাবাহিকতা দরকার। সরকার ও দলের অন্তত চারবার ক্ষমতায় থাকা দরকার।”

ছিয়ানব্বইয়ে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা না থাকার কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া সব উদ্যোগ খালেদা জিয়া বাতিল করে দেন অভিযোগ করে তিনি বলেন, “এখন আরেকটা (আরিচা-পাটুরিয়া সেতু) করতে হলে সরকারকে ধারাবাহিক রাখতে হবে।”

‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি মিলনায়তনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।

এতে ভিশন দিয়ে বিএনপি চাঙ্গা হয়েছে বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, “ভিশনের বিপরীতে ভিশন দিয়ে তারা নাকি চাঙ্গা হয়েছে; গতকাল কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে মারামারি হয়েছে। বিএনপি এমন চাঙ্গা হয়েছে. ভিশনের বিপরীতে নিজেরা নিজেদের ঠেকাতে গিয়ে বলে পুলিশ সভা পণ্ড করে দিয়েছে।

“ভিশন ২০৩০ মানে বিএনপির ঘরেও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ঘরের বাইরেও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। বিএনপি মহাসচিবের কথা মতো বিএনপি ঘুরে দাঁড়িয়েছে ঠিকই, তবে তা নিজেরা নিজেদের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।”

রাজশাহী মহানগর কমিটির কর্মী সম্মেলনে সোমবার কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে সংঘর্ষে জড়ায় স্থানীয় বিএনপির দুইপক্ষ। পরদিন মঙ্গলবার জেলা কমিটির সম্মেলনেও সংঘর্ষে জড়িয়েছে দলটির নেতাকর্মীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স বক্তব্য রাখেন।