আড়াই লাখ কেজি আপেল, আদা, শুঁটকি ও মাছ নিলামে বিক্রি

প্রকাশ:| রবিবার, ১৫ অক্টোবর , ২০১৭ সময় ১০:৪৮ অপরাহ্ণ

বিভিন্ন দেশ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানির পর খালাস না নেওয়ায় প্রায় আড়াই লাখ কেজি আপেল, আদা, শুঁটকি ও মাছ নিলামে বিক্রি করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম কর্তৃপক্ষ।

রোববার (১৫ অক্টোবর) সর্বোচ্চ পাঁচজন নিলাম দরদাতা এক কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায় এসব পণ্য ক্রয় করেন। দশটি কন্টেইনারে থাকা এসব পণ্যের নিলাম ডাকা হয় কাস্টমসের নিলাম শাখা অফিসে।

নির্ধারিত সময়ে এসব পণ্য খালাস না নেওয়ায় চট্টগ্রাম কাস্টমসের প্রায় এক কোটি ২০ লাখ ৭৯ হাজার ৬২১ টাকার রাজস্ব আটকে ছিল বলে জানিয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। নিলামে তোলা এসব পণ্যের রিজার্ভ ভ্যালু ধরা হয়েছিল তিন কোটি ১৩ লাখ ১৪ হাজার ৬০ টাকা। যদিও বিক্রি হয়েছে এক কোটি ৭৭ লাখ টাকায়।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার আহসান উল্লাহ (নিলাম শাখা) বলেন, আমদানির পর পণ্য খালাস না নেওয়ার ১০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হয়েছে। এতে সর্বোচ্চ দরদাতা পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য বিক্রি করা হয়েছে।

জানা গেছে, নিলামে তোলা পণ্যের মধ্যে ছয়টি কন্টেইনারে চীন থেকে আমদানি করা এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৩৬ কেজি আপেল রয়েছে। এরমধ্যে তিন কনটেইনার ভর্তি ৭৪ হাজার ৭১৮ কেজি আপেল কিনেন চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা এলাকার মেসার্স রাব্বি এন্টার প্রাইজ। ৩৪ লাখ টাকার সর্বোচ্চ দর দিয়ে তিনি এসব আপেল কিনেন। অপর তিনটি কনটেইনারে থাকা সমপরিমাণ আপেল ৩২ লাখ ৮৫ হাজার টাকায় কেনেন ধনিয়াপাড়ার মেসার্স ন্যাশনাল ট্রেডিং।

এছাড়া পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ১৩ হাজার ৪৩৩ কেজি শুঁটকি বিক্রি করা হয় ২০ লাখ টাকায়। মাঝিরঘাট রোডের রফিক ইসলাম নামের একজন ব্যবসায়ী এসব শুঁটকি কেনেন। মিয়ানমারের ২৭ হাজার কেজি সামুদ্রিক মাছ বিক্রি হয়েছে ২৪ লাখ ২৫ হাজার টাকায়।

একইভাবে মিয়ানমার থেকে আনা ২৮ হাজার ২১৫ কেজি ইলিশ মাছ ৫৫ লাখ টাকায় কেনেন সদরঘাটের নিয়ামত শাহ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া ২৮ হাজার ৮০০ কেজি আদার চালান কেনেন নগরীর আগ্রাবাদের জাবেদা এন্টারপ্রাইজ।


আরোও সংবাদ