আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা চালু করতে হবে

প্রকাশ:| শনিবার, ৪ জুলাই , ২০১৫ সময় ১১:৫৩ অপরাহ্ণ

রমজানের ফজিলত বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে মহিউদ্দিন চৌধুরী

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা চালু করতে হবেচট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জমিয়তুল ফালাহ্ মুসল্লি কল্যাণ সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা চালু করার আহবান জানান। আজ শনিবার তাঁরই আয়োজনে পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য ও ফজিলত সম্পর্কে আলোচনা সভা এবং ইফতার মাহফিলে সভাপতির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। তিনি দাবী করেন, স্বাধীনতা বিরোধী শত্রু ও বাতিল পন্থিদেরকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন হতে বিদায় নিতে হবে। সরকারি টাকায় যাতে কোন মওদুদী পন্থী ও হারাম কাজ না হয় সেজন্য মুসলিম ছুন্নিয়তকে সজাগ থাকার আহবান জানান। তিনি আশ্বাস প্রদান করেন যে, মসজিদের আলেম খতিব ও ইমামদেরকে নির্ধারিত বেতন ও সম্পানি প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা যেন এ ব্যাপারে কোন ধরনের হতাশার মনোভাব পোষন না করে ইসলামের সেবা করে যাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শেরে মিল্লাত মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী রোজা ও ইসলামের আকিদা বিশ্লেষন করে বলেন, রমজানে ইনসুলিন ও ইনজেকশন নেওয়ার সাথে সাথে রোজা ভেঙ্গে যাবে-এটা বিশুদ্ধ ফতোয় ও সত্য। এ ব্যাপারে বিভ্রান্তির কোন অবকাশ নেই। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন হতে বাতিল পন্থি সকল পুস্তক জব্দ করার পরামর্শ দেন। মাওলানা নুর মোহাম্মদ আলকাদেরী বলেন, চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন মসজিদে যে সকল বাতিল পন্থি ইমাম ও খতিব রয়েছেন তাদেরকে প্রতিহত করে সুন্নি আলেম ও খতিব নিয়োগ দেয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে তিনি এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সহযোগিতা কামানা করেন। সৈয়দ আবু তালেব মুহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, প্রতি চার রাকাতের পর দোয়া করা ও মুনাজাত করা বিশুদ্ধ কিতাবের মাধ্যমে প্রমাণিত। এমনকি দুই রাকাতের পরও দরুদ পাঠ করাটা প্রমাণিত সত্য। মুহাদ্দিস আল্লামা কাজী মঈনুদ্দিন আশরাফি বলেন, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন হতে শুরু করে সকল আন্দোলনে সুন্নি ওলামায়ে বুজর্গগণ সঠিক অবদান রেখেছেন। কিন্তু ইসলামিক ফাউন্ডেশনে বিগত দিনে সুন্নি ওলামায়ে কেরামদের চিন্তা চেতনার বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন-মুফতি কাজি মুহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ, শাইখুল হাদিস আল্লাম সোলায়মান আনসারী, হাফেজ মাওলানা আনিসুজ্জামান আলকাদেরী, অধ্যাপক মাওলানা রেজাউল করিম, সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মোর্শেদুল হক, অধ্যাপক মাওলানা জালালউদ্দিন আল আজহারী, মাওলানা মুফতি আনোয়ার হোসেন, অধ্যক্ষ মাওলানা বদিউল আলম রেজভী, মাওলানা সৈয়দ ইউনুচ রেজভী। উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা গোলাম মোস্তাফা নুরুন্নবী, মাওলানা মীর মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, হাফেজ মাওলানা সৈয়দ আজিজুর রহামন, মাওলানা মোহাম্মদ ওসমান গণি, মাওলানা নুর মোহাম্মদ সিদ্দিকী, মাওলানা মজিবুর রহমান, মাওলনা রফিকুল ইসলাম আনোয়ারী, মাওলানা শফিউল হক আশরাফি, মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গণি রেজভী, মাওলনা মতিউল ইসলাম, মাওলনা মুহাম্মদ আবদুর রহমান ফারুকী, মাওলানা মোহাম্মদ আমির হোসাইন, মাওলনা কাজী মোহাম্মদ মজিবুল হক, মাওলনা মোহাম্মদ ওবায়দুল হক, অধ্যক্ষ মাওলনা ইসমাইল নোমানী, মাওলনা আবদুল আজিজ আনোয়ারী, মাওলনা আবদুল্লা নোমান, মাওলানা মুহাম্মদ হারুন উর রশিদ, হাফেজ মাওলনা মহিউদ্দিন, মাওলানা হামেদ রেজা নঈমী, মাওলান নঈমুল হক নইমী, মাওলনা ইউসুফ আল কাদেরী, মাওলনা হাসান, মাওলনা রিদওয়ানুল হক হাক্কানি, মাওলানা কারী সোলায়মান, মাওলানা লেয়াকত নোমানী, মাওলানা মোরশেদ কাদেরী, মাওলানা আবদুল মান্নান, মাওলানা আলাউদ্দিন আল কাদেরী, মাওলানা আলী আকবর, মাওলানা মাহমুদুর রহমান, মাওলানা হাফেজ এনামুল হক, মাওলানা মোহাম্মদ ছৈয়দুল আলম, মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইন জিহাদী, মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল মোনায়েম, মাওলানা আবদুল জাব্বার, মাওলানা মোহাম্মদ ইসমাইল, মাওলানা আবদুল লতিফ, মাওলানা ড. হাফেজ মহিউল হক, মাওলানা মোকতার আহম্মদ, মাওলানা আবুল কালাম আমিরী, মাওলানা সুফি আবু জাফর, মাওলানা মোহাম্মদ আলিমুদ্দিন, মাওলানা ফজল আহম্মদ, মাওলানা হাফেজ মাহাবুবুল আলম, হাফেজ মাওলানা মাহাবুবুর রহমান, মাওলানা আবদুল করিম, মাওলানা সিরাজুল মোস্তফা সিদ্দিকী, মাওলানা মাহমুদুল্লা ফারুকী, মাওলানা এহসান উল্লাহ, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, মাওলানা খোরশেদুল আলম, মাওলানা মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, মাওলানা কাজী আমিন উল্লাহ, মাওলানা হারুনউর রশিদ নক্শবন্দি, মাওলনা সরওয়ার আলম আলকাদেরী, মাওলানা কাজী ফরিদ, মাওলানা কুতুবউদ্দিন রেজভী, মাওলানা হারুন নুর রশিদ আলকাদেরী, মাওলানা সেকান্দর হোসেন আলকাদেরী, মাওলানা হাফেজ আহমদুল হক, মাওলানা জসিম উদ্দিন আলকাদেরী, মাওলানা কাশেম রেজা নঈমী, মুফতি এস.এম জালালউদ্দিন ফারুকী, মাওলানা আবু রিদওয়ান, মাওলনা ফজল আহম্মদ, মাওলানা আজিজুল হক কুতবী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন প্রমুখ।


আরোও সংবাদ