আল কায়েদার কথিত বার্তা নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ

প্রকাশ:| রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি , ২০১৪ সময় ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশকে নিয়ে আল কায়েদা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির কথিত ভিডিও বার্তা নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সংসদ অধিবেশন। প্রায় দেড় ঘন্টাব্যাপী চলা এই অনির্ধারিত বিতর্কে অংশ নেন সরকারি দলের কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, জাসদের কার্যকরী সভাপতি মইনউদ্দীন খান বাদল, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা ও তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী। এ সময় সভাপতির আসনে ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। মাগরিবের নামাজের বিরতির পর সংসদ অধিবেশন শুরু হলে শেখ ফজলুল করিম সেলিম পয়েন্ট অব অর্ডারে প্রসঙ্গটি তোলেন। এসময় এমপিরা আল-কায়েদার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার দাবি জানান। একইসঙ্গে তারা বিএনপি-জামায়াতকে আল কায়েদা সংশ্লিষ্ট শক্তি বলে আখ্যায়িত করেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, আল কায়েদা প্রধান জাওয়াহিরি যে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে হুমকি দিয়েছে, তা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র। বিএনপি-জামায়াতের বক্তব্যে এবং আল-কায়দার প্রধানের ভিডিও ফুটেজে দেয়া বক্তব্য প্রায় একই। বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজতের কথাই আলকায়েদা প্রধানের হুমকি বার্তায় ফুটে উঠেছে। তিনি বলেন, ইসলাম সৃষ্টি করে ধ্বংস করে না। আর এরা ধ্বংস করে, মানুষ হত্যা করে। ইসলামকে জঙ্গী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তিনি বলেন, আল-কায়দা প্রধান বাংলাদেশকে একটি জঙ্গী ও তালেবানি দেশে পরিণত করতে চায়। ধর্মকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় বিশ্বে তান্ডব চালিয়েছে। আল-কায়দা বিএনপি-জামায়াতের দোসর। বিএনপি এক নেতা বলেছেন, বাংলাদেশ একটি বৃহৎ কারাগার। আল-কায়েদা প্রধানও একই কথা বলেছে। তিনি বলেন, মুখে ধর্মের কথা বলে বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত কোরআন শরিফ পুড়িয়েছে, মসজিদে আগুণ দিয়েছে। টার্গেট ছিল সরকারের পতন ঘটাতে বাংলাদেশে লুপপাট চালাবে, সচিবালয়, সুপ্রীম কোর্টে হামলা চালিয়ে সরকারকে উৎখাত করবে। কিন্তু সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে।