‘আল্লামা ফারুকীসহ সকল হত্যাকান্ডের বিচার নিশ্চিত করে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে হবে’

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট , ২০১৮ সময় ০৫:৫২ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জননেতা আল্লামা আবুল কাশেম নূরী বলেন, চার বছরেও ফারুকী হত্যা মামলার কোন সুরাহা হয়নি। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতির কারণে দেশের মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ভীতির মধ্যে জীবনযাপন করছে। জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে হলে ফারুকীসহ সব হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, আল্লামা ফারুকী হত্যাকান্ডের সুরাহার ব্যাপারে সরকার ও প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাব আছে। তুমুল জনপ্রিয় একজন ব্যক্তির চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের চার বছর পেরিয়ে গেলেও আদালতে চার্জশীট দিতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। ফারুকী হত্যা নিয়ে প্রশাসনের সাম্প্রতিক কর্মকান্ডে আমরা বিচার পাব বলে আশাবাদী হলেও সংশয়মুক্ত নই। অতীতে অনেক মামলার ক্ষেত্রেও দুচারজন চুঁনোপুটিকে গ্রেফতার দেখিয়ে মূল আসামীদের বাদ দেওয়ার নাটক হয়েছে। তাই আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাব অতি দ্রুত তদন্তে বেরিয়ে আসা হত্যাকান্ডে অংশ নেওয়া কিলারদের গ্রেফতারের পাশাপাশি ইন্ধনদাতা রাঘববোয়ালদেরও খুঁজে বের করতে হবে। আল্লামা নূরী অতি দ্রুত মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন করে প্রকৃত খুনি ও ইন্ধনদাতাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম মেম্বার জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকীর হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে আজ ৩০ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের মানববন্ধন ও মুখে কালো কাপড় বেধেঁ মৌন মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগর উত্তর ছাত্রসেনার সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি জননেতা মুহাম্মদ নঈম উল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মাননীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জননেতা পীরে তরিক্বত আল্লামা আবুল কাশেম নূরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক যুবনেতা সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম, ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম, যুবসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক যুবনেতা হাবিবুল মোস্তফা সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসেনার সাবেক সভাপতি অধ্যাপক এমরানুল ইসলাম, ইসলামী ফ্রন্ট নেতা মাওলানা সোহাইল উদ্দিন আনসারী, হাফেজ মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, ছাত্রসেনা মহানগর উত্তর সাবেক সভাপতি ছাত্রনেতা ফরিদুল ইসলাম, মাওলানা আবদুল কাদের রজভী। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার অর্থ সম্পাদক ছাত্রনেতা আবদুল্লাহ আল মামুন। উদ্বোধকের বক্তব্যে নঈম উল ইসলাম বলেন, ২০১৪ সালে ছাত্রসেনার পক্ষ থেকে ফারুকী হত্যায় নাম-ঠিকানা দিয়ে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উগ্রবাদী দর্শন প্রচারকারী ছয় উপস্থাপকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছিল। তাঁরাই ফারুকীকে হত্যা করিয়েছেন। কিন্তু তাঁদের গ্রেফতার তো দূরের কথা জিজ্ঞাসাবাদ পর্যন্ত করেনি পুলিশ। তিনি বলেন, মামলায় বর্ণিত ছয় টিভি উপস্থাপককে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শুধু ফারুকী হত্যা নয় দেশজুড়ে জঙ্গীবাদ বিস্তারের অনেক তথ্যও উঠে আসতে পারে। মানববন্ধন ও মৌন মিছিলে উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা সৈয়দ মুহাম্মদ মোফাচ্ছেল মোস্তফা টিপু, এস এম ইকবাল বাহার চৌধুরী, মুহাম্মদ আবু বক্কর, মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন রুবেল, মো: মিনহাজ উদ্দিন ছিদ্দিকী, শায়ের মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, শায়ের মুহাম্মদ ছালামত রেজা, শায়ের মুহাম্মদ ইকবাল, মাওলানা জয়নাল আবেদীন, মুহাম্মদ শাহজালাল, মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মুহাম্মদ সিহাব উদ্দিন, মুহাম্মদ কাউসার খান, মুহাম্মদ ফোরকান রেজা, মুহাম্মদ এরশাদুল করিম, মুহাম্মদ তৌহিদুল হক, মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন কাদেরী, মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ আরাফাত, মুহাম্মদ আদনান তাহসিন আলমদার, মুহাম্মদ বাবর আলী, মুহাম্মদ সরওয়ার আলম, মুহাম্মদ সাব্বির হোসেন, মুহাম্মদ মাহমুদুল ইসলাম, আবু সায়েম মুহাম্মদ কাইয়ুম, মুহাম্মদ নাঈম উদ্দিন, কাজী মুহাম্মদ আরাফাত, এম এইচ আরমান, মুহাম্মদ বেলাল রেজা, মুহাম্মদ খোরশেদ, মুহাম্মদ নাছের, হাফেজ আতিকুল্লাহ, মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন প্রমুখ।