আলোয়-উৎসবে উজ্জ্বল হাজারো মুখ, নতুন মানচিত্র, নতুন স্বাধীনতা

প্রকাশ:| শনিবার, ১ আগস্ট , ২০১৫ সময় ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ

ছিটবাসীদের সাথে আজ আমরা একাত্ত্ব , সুখের হোক নব পথ চলা...নিউজচিটাগাং২৪.কমরাত ১২টা ১ মিনিট। হাতে হাতে মোমবাতি, প্রদীপ। আলোয়-উৎসবে উজ্জ্বল হাজারো মুখ। এ আলো ‘নতুন স্বাধীনতার’। এ আলোয় ঘুচলো ১৬২ ছিটমহলবাসীর ৬৮ বছরের অন্ধকার। উৎসব আর আনন্দে মুছে গেল পাঁচ অক্ষরের ছিটমহল নামটি। আজ থেকে ছিটমহল হয়ে গেল ইতিহাস। সেইসঙ্গে ছিটের বাসিন্দারা পেলেন খাঁচামুক্ত জীবন। নাগরিকের অধিকার আর মুক্ত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে গত মধ্যরাতে উৎসব হয়েছে ছিটের পথে পথে। ছেলে, বুড়ো, নারী-পুরুষ যোগ দিয়েছেন ‘নতুন স্বাধীনতার’  উৎসবে। পথে পথে তোরণ, উঠোনে উঠোনে লাল সবুজের পতাকা। উৎসবে মাতোয়ারা চারদিক। ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মূল ভূখণ্ডের অংশ হয়ে গেছে ছিটগুলো। এতে পূর্ণ নাগরিক পর্যাদা পেলো ৫০ হাজার মানুষ। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে মিশছে ১১১ ছিট আর ভারতে যাচ্ছে ৫১টি, যা নির্ধারিত হয়েছে আগেই। শুধু আনুষ্ঠানিকতার গত রাতটি যেন আলো ঝলমলে একটি দিন হয়ে উঠেছিল ছিটমহলবাসীর জন্য।

মোমবাতি, প্রদীপসাবিবুর রহমান সাবিব, পঞ্চগড় থেকে জানান, বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে আজ থেকে ১১১টি ছিটমহলের প্রায় ৪২ হাজার মানুষের নতুন জীবনযাত্রা শুরু হলো। সকালে রাষ্ট্রীয়ভাবে সব ছিটমহলে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার ইতি ঘটানো হবে। গতকাল মধ্যরাতে মানচিত্র থেকে মুছে গেছে পাঁচ অক্ষরের নাম ‘ছিটমহল’ শব্দটি। সকালে নতুন সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নতুন স্বপ্ন নিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠেছে দীর্ঘ ৬৮ বছর সময় ধরে নাগরিকত্বহীন ও মৌলিকসহ সকল সুযোগসুবিধা থেকে বঞ্চিত মানুষগুলো। শেকলে বাঁধা এসব মানুষ পেলো একটি দেশ ও নাগরিকত্ব। এতদিনের না পাওয়া বেদনাগুলো দুমড়ে-মুচড়ে মুছে ফেলে নতুন জীবন নিয়ে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখবে তারা। শুরু হবে ছিটমহলবাসীর জন্য উন্নয়নমূলক কাজ। তাই শুক্রবার রাতে বাঁধ ভাঙা আনন্দে মেতেছিল ছিটমহলবাসী। তারা রাতে কেক কেটে স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে শুভ সূচনা করে। সন্ধ্যার পর সবাই একযোগে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ে। চলে রাতে বিভিন্ন খেলাধুলা। চাঁদের আলোতে লুটোপুটি খেয়ে করে আনন্দ-উল্লাস। প্রতিটি ছিটমহলে মোমবাতি, প্রদীপ ও মশালের ছিটমহলআলো জ্বালিয়ে জানান দেয়া হয় আমরা আর অন্ধকারে নেই, বাংলাদেশের সব নাগরিকের কাতারে যোগ হয়েছি আমরাও। রাতে প্রতিটি ছিটমহলের মুসলমান সম্প্রদায়ের বাড়িতে ৬৮টি করে মোমবাতি ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে ৬৮টি করে প্রদীপ জ্বালিয়ে সব অন্ধকার দূর করে দেয়া হয়। তবে পঞ্চগড় সদর উপজেলার গারাতি ছিটমহলে কয়েকটি পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এ ছিটমহলে খেলাধূলার পাশাপাশি সন্ধ্যার পর মাদরাসা মাঠে ‘চুক্তির মুক্তি’ নামের একটি নাটক মঞ্চস্থ হয়। আর রাতে কেক কাটার পাশাপাশি চলে বিভিন্ন স্থান থেকে শিল্পী এনে গান-বাজনা আর আলোর খেলা। রাতে পটকা ফুটিয়ে জানান দেয়া হয় আমরা আজ থেকে বাংলাদেশী নাগরিক। ছিটমহল বিনিময়ে আনন্দ থাকলেও সব সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিটমহলের নাগরিকরা উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত শুরুর প্রত্যাশা করছে। বিলুপ্ত হওয়া ছিটমহলগুলোয় চলাচলের জন্য নেই কোন রাস্তা-ঘাট। নদীর ওপর নেই সেতু। নাগরিকরাই নিজেদের প্রয়োজনে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করে রাস্তা ও বাঁশের সাঁকো। পড়ালেখার জন্য নেই কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নেই বিদ্যুৎসহ সুপেয় পানীয় জল ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা। গত ৬-১৬ই জুলাই পর্যন্ত  যৌথ জনগণনায় বাংলাদেশের ১১১টি ছিটমহলে জনসংখ্যা ৩ হাজার ৭১৮ জন বেড়ে হয়েছে ৪১ হাজার ৪৪৯ জন। আর ভারতের ৫১টি ছিটহলের জনসংখ্যা ৬৩১ জন বেড়ে হয়েছে ১৪ হাজার ৮৫৬ জন। উভয় দেশের মধ্যকার ১৬২টি ছিটমহলের বর্তমান জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৬ হাজার ৩০৫ জন।
১৯৯৬ সালের যৌথ ভূমি জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ১১১টি ছিটমহলে মোট জমি রয়েছে ১৭ হাজার ১৫৮ দশমিক ০৫ একর। আর ভারতের অভ্যন্তরে ৫১টি ছিটমহলে জমি রয়েছে ৭ হাজার ১১০ দশমিক ২ একর। ছিটমহল বিনিময় হওয়ায় বাংলাদেশ ১০ হাজার ১১০ দশমিক ৬১ একর বেশি জমি পাচ্ছে। পঞ্চগড় জেলা সদরের গারাতি ছিটমহলের শালবাগানের অধিবাসী বয়োবৃদ্ধ আনার আলী (৭০) বলেন, নদীতে সব কিছু হারিয়ে আজ থেকে ৪০ বছর আগে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা থেকে এই ছিটমহলে এসে বসতি গড়েছিলাম। কিন্তু এখানেও চরম অশান্তি। ছোট্ট ভূখণ্ডের চারপাশ বাংলাদেশী এলাকা হওয়ায় এক কথায় বন্দি জীবনযাপন করতাম। ভারতীয় নাগরিক হয়েও বড় হয়েছি বাংলাদেশের আলো-বাতাসে। চুরি-চামারী করে বাংলাদেশের বাসিন্দা দেখিয়ে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতাম। কিন্তু ছিটমহলের নাগরিক হিসেবে জানাজানি হওয়ায় তাদের লেখাপড়ার ইতি ঘটতো। কয়েক বছর আগে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল বাড়িঘর। মাথা গোঁজার ঠাইটুকুও হারিয়ে ফেলেছিলাম। অনেক কষ্ট করে মানুষের কাছে ধার-দেনা করে আবারো খড়ের ঘর বানিয়ে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছি। কোন বেলা খেতে পারি আবার কোন বেলা উপোস থাকি। ছিটমহল বিনিময়ের খবরে আমরা এখন সব দুঃখ ভুলে গেছি। ইচ্ছে হচ্ছে পাখির মত ডানা মেলে উড়ে বেড়াই। কিন্তু তাতো সম্ভব নয়। এখন জীবনের শেষ সময়টুকু একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে দেখে যেতে পারবো। খাঁচায় বন্দিদশা থেকে বেরিয়ে আমরা আসছি আলোয়। এর চেয়ে আর কি আনন্দের হতে পারে।
গারাতি ছিটমহলের নাগরিক কমিটির সভাপতি মফিজার রহমান বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফসল ছিটমহল বিনিময়। এই চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য আমাদের অনেক কাঠ-খড়ি পোড়াতে হয়েছে। বর্তমানে সমন্বয় কমিটির ভারত শাখার প্রাণপুরুষ দিপ্তীমান সেনগুপ্তের বাবা প্রয়াত বিধায়ক দীপক সেনগুপ্ত ১৯৯৪ সালে এই কমিটি গঠন করেছিলেন। তখন থেকেই ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি অনুযায়ী আমরা আন্দোলন করে আসছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেখানে শুরু করেছিলেন সেখানে শেষ করলেন তারই কন্যা বর্তমান প্রধা
৬৮ প্রদীপে প্রোজ্জ্বলনমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার উদ্যোগেই আজ আমরা ৬৮ বছর পর মুক্তি পেলাম। আশা করছি তার আমলেই আমাদের ছিটমহল এলাকাগুলো বাংলাদেশের অন্য এলাকার মত উন্নত হবে। নতুন করে নাগরিকত্ব পাওয়া মানুষগুলো নাগরিকত্বের স্বাদ পেয়ে ভুলে যাবে আগের সব গ্লানি। আমরা এই দিনটিকে স্মরণে রাখবো। প্রতি বছর এই দিনটিকে আমরা ‘মুক্তি দিবস’ হিসেবে পালন করব।
মিজানুর রহমান মিন্টু, কুড়িগ্রাম থেকে জানান, আলোক প্রজ্বালনের মধ্যদিয়ে রাত ১২টা ১ মিনিটে ছিটমহল বিনিময় প্রক্রিয়া স্মরণীয় করে রাখতে আয়োজন করা হয় ৬৮টি মোম প্রজ্বালন। দিন থেকে শুরু হওয়া আনন্দ উৎসবের পূর্ণাঙ্গ রূপ নেয় গতকাল গভীর রাতে। কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার অভ্যন্তরে সবচেয়ে বড় ছিটমহল দাসিয়ার ছড়ায় তিনটি মঞ্চে আয়োজন করা হয় নানা অনুষ্ঠানের। তবে মূল আয়োজন ছিল দাসিয়ার ছড়া ছিটের কালিরহাট বাজারে। এখানে প্রধান অতিথি হিসেবে সব কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সাবেক এমপি মো. জাফর আলী।

গতকাল সকাল থেকে ছিটমহলবাসীরা মিলিত হয়েছে আনন্দ আয়োজনে। আয়োজন করেছে লাঠি খেলা ও নৌকা বাইচের। বিজয় মিছিল, আনন্দ মিছিল। বাড়ি বাড়ি চলে ভাল খাবারের আয়োজন। পরিবার পরিজনরা মিলে খুশিতে মেতেছে সবাই। ভারতীয় ভূ-খণ্ডে শুক্রবারই ছিল তাদের শেষ জুম্মা নামাজ। নামাজ শেষে মিলাদ মাহফিল ও আখেরি মোনাজাত এবং মন্দিরে মন্দিরে পূজা-অর্চনা করেন ছিটমহলবাসীরা। মুক্তির মাহেন্দ্রক্ষণ স্মরণীয় করে রাখতে ছিটমহলবাসীদের এ আয়োজন।
মসজিদ-মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা: শুক্রবার ফুলবাড়ীর দাশিয়ারছড়া ছিটমহলে অবস্থিত ৯টি মসজিদে ছিল উপচে পড়া ভিড়। ছিটের বাইরের দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয়। এ সময় দেশ ও জাতির কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করা হয়। যারা ভারতে চলে যাচ্ছে তাদের জন্য শুভ কামনা এবং যারা বাংলাদেশে রয়ে যাচ্ছেন তাদের মঙ্গল কামনা করা হয়। একইভাবে দাসিয়ারছড়া ছিটের ৬টি মন্দিরে আয়োজন করা হয় বিশেষ প্রার্থনার।
লাঠি খেলা ও নৌকা বাইচ: ফুলবাড়ীর অভ্যন্তরে অবস্থিত সবচেয়ে বড় দাসিয়ার ছড়া ছিটমলের পশ্চিম দিক দিয়ে প্রবাহিত নীলকোমল নদীতে আয়োজন করা হয় নৌকা বাইচের। নদীর দুই তীরে শ শ মানুষ নৌকা বাইচ উপভোগ করে। পরে দাশিয়ার ছড়া ছিটের কামালপুর গ্রামের বটতলায় অনুষ্ঠিত হয় মনোমুগ্ধকর লাঠিখেলা। এতে ছিটের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ লাঠিখেলায় অংশ নেয়। পরে রাত ১২টায় কালিরহাট বাজারে অনুষ্ঠিত ছিটমহল বিনিময় উপলক্ষে আয়োজিত বিজয় উৎসবে বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা: ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটি বাংলাদেশ ইউনিটের নেতাদের সংবর্ধনার আয়োজন করা হয় দাশিয়ারছড়া ছিটমহলে। এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধী দলের চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী। ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটি বাংলাদেশ ইউনিটের সভাপতি মইনুল হকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় হুইপ নুরুল ইসলাম ওমর, ইউএনও নাসির উদ্দিন মাহমুদ, গোলাম মোস্তফা খান, আলতাফ হোসেন, আজিজার রহমান মাস্টার, হবিবর রহমান প্রামাণিক প্রমুখ।
বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা: ছিটমহলজুড়ে নেয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ দিনরাতে সার্বক্ষণিকভাবে ছিটমহলে টহল দিয়েছে। পুলিশি নিরাপত্তা ছিল দুই স্তরের। সাদা পোশাকেও ছিল বিশেষ টিম। এছাড়া স্থানীয় ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবক তাদের সহযোগিতা করছে। পাশাপাশি বিজিবি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন কাজ তদারকি করছে। কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার তবারক উল্লাহ জানান, ছিটমহলবাসীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
111111111সরকারের অনুমতি পেলে আমরা এ ছিটমহলে ভবিষ্যতে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করবো।
ছিটমহল বিনিময় আন্দোলনের সমন্বয় কমিটির দাসিয়ার ছড়া ইউনিটের সভাপতি আলতাব হোসেন জানান, বন্দি থেকে মুক্ত হলাম আমরা। এ আনন্দে ছিটমহলবাসীরা আজ আনন্দে আত্মহারা। পৃথক পৃথক স্থানে লাঠিখেলা, নোকাবাইচ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।  এর আগে গত ৬ থেকে ১৬ই জুলাই দুই দেশের ১৬২টি ছিটমহলে জনগণনা হালনাগাদ ও নাগরিকত্ব নির্ধারণের মতামত নেয়া হয়। কুড়িগ্রামের ১২টি ছিটমহলে ১ হাজার ৬৩০টি পরিবারে জনসংখ্যা ৮ হাজার ১৩২ জন। তাদের মধ্যে ৩১৭ জন ভারতে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে গণনা এবং অভিমত দেয়া থেকে বাদ পড়েছে প্রায় এক হাজার ছিটমহলবাসী।

 

রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, “এক অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেছেন, দীর্ঘ ৬৮ বছরের অমীমাংসিত স্থল সীমানা জটিলতা নিরসনের পর ছিটমহল বিনিময় দুই-দেশের জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত।”

 

রাষ্ট্রপতি এ উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

 

জাতিসত্ত্বার ‘স্বীকৃতি’ পাওয়ায় ছিলমহলবাসীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের অন্য নাগরিকদের মতোই তাদের জীবন-মান উন্নয়নের সব ধরনের ব্যবস্থা সরকার নেবে।


আরোও সংবাদ