আ’লীগে যোগ দিল সাতকানিয়ার মেয়র

প্রকাশ:| রবিবার, ১৬ আগস্ট , ২০১৫ সময় ০৯:১৩ অপরাহ্ণ

সাতকানিয়ার মেয়রআওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন জামায়াত-শিবিরের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত সাতকানিয়া পৌরসভার বিএনপি দলীয় মেয়র হাজী মোহাম্মদুর রহমান। একইসঙ্গে বিএনপি ও এলডিপি’র প্রায় হাজারখানেক নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ।

রোববার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে দলে যোগ দেন পৌর মেয়রসহ বিএনপি ও এলডিপির নেতাকর্মীরা। এসময় দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সাতকানিয়ার সাংসদ আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভি এবং চন্দনাইশের সাংসদ নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

যোগদানকারীদের মধ্যে আরও আছেন সাতকানিয়া পৌরসভার দুই নম্বর ও চার নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপিদলীয় কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান ও শামসুল হক এবং এলডিপি’র উপজেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক জসিম উদ্দিন। তাদের সঙ্গে অনেক নেতাকর্মীও যোগদান অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন।

নৌ পরিবহন মন্ত্রী যোগদানকারীদের দলে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইঁদুরের গর্ত থেকে বের হয়ে আসছেন। বিএনপিতে কোন উপায় না দেখে তারা এখন আওয়ামী লীগে যোগ দিচ্ছেন। আরও অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দেবেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি দলে গেলে সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে, এমন চিন্তা করে যদি কেউ দলে আসতে চান, তাহলে আসার দরকার নেই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য কেউ যদি আসতে চান তার জন্য আওয়ামী লীগের দরজা খোল‍া আছে।

দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ বলেন, মোহাম্মদুর রহমানকে কেউ চাপ দিয়ে দলে আনেনি। আমরা তার বক্তব্য নিয়েছি। তিনি বলেছেন-তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে এবং সাতকানিয়ার উন্নয়নে নিজেকে সঁপে দিতে দলে এসেছেন। আমরা তার যোগদানকে স্বাগত জানিয়েছি।

হাজী মোহাম্মদুর রহমান দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক এবং সাতকানিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি পদ ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

সাতকানিয়া পৌরসভার প্রথম মেয়র হাজী মোহাম্মদুর রহমান ২০১০ সালে দ্বিতীয় দফায়ও নির্বাচিত হন। তার যোগদান নিয়ে সাতকানিয়া আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভক্তি আছে। সাংসদ নদভির অনুসারীরা তার যোগদানের বিরোধিতা করছেন।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য একাধিকবার হাজী মোহাম্মদুর রহমানের মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি বারবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।


আরোও সংবাদ