আলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলি, আটজন আহত

প্রকাশ:| সোমবার, ১৩ মার্চ , ২০১৭ সময় ০৯:৩১ অপরাহ্ণ

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছে। সোমবার বিকেলে ফেনী সদর উপজেলার ফরহাদ নগর ইউনিয়নের সুবলপুর নামক স্থানে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধক্ষ্য ফোরকান চৌধুরীর সমর্থিত পক্ষ ও ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন টিপু পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে এঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে চারজন জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ফরহাদ নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন টিপু জানান, সোমবার বিকেলে তিনি নিজে স্থানীয় যুবলীগ নেতা সানাউল্যাহ, সবুজ, ছাত্রলীগ নেতা সজিবসহ পরিষদ থেকে সিএনজি অটোরিক্সাযোগে স্থানীয় কেএমহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র কিনতে রওনা হয়। তাদের বহনকারী অটোরিক্সাটি ইউনিয়নের সুবলপুর নামক স্থানে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফোরকান চৌধুরীর কর্মী শাহাদাত, মামুন, আজগর, বাদশা মেম্বার, বশির মেম্বার, ঝিকু, আরিফ, জুয়েল, স্বপন ও মিলন বিনা উস্কানিতে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দু’টি অটোরিক্সা দিয়ে তাদের উপর হামলা চালিয়ে এলোপাথারি গুলি ছোঁড়ে। এসময় তার (টিপু সমর্থিতরা) লোকজন পাল্টা হামলা চালালে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান টিপুর সমর্থকরা একত্রিত হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন অটোরিক্সা ফেলে পালিয়ে যায়। বিক্ষুদ্ধরা এসময় দুটি অটোরিক্সা ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
সংঘর্ষে সানাউল্যাহ, সজিব, সবুজ, রিয়াদ হোসেন, আফসার, আবু তৈয়ব ও শহীদুল ইসলাম শামীমসহ অন্তত আট জন আহত হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ফেনী জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ সানাউল্যাহসহ চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফোরকান চৌধুরী জানান, এই ঘটনার সাথে তাঁর বা দলের কোন সমর্থকদের সম্পৃক্ততা নেই। তাঁকে ফাঁসানোর জন্য এই ঘটনা সাজানো হয়েছে।
ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাশেদ খাঁন চৌধুরী জানান, ফরহাদ নগর এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরোও সংবাদ