আমি রাউজানের উন্নয়নে সব সময় সচেষ্ট

প্রকাশ:| শনিবার, ৩১ আগস্ট , ২০১৩ সময় ০৫:০২ অপরাহ্ণ

৭১ সালের দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্দ্বু পেয়েছিল যুদ্ব বিধস্ত দেশ ৯৬ সালে রাজনীতিতে এসে আমি ও যুদ্ব বিধস্ত দেশের মতো রাউজান পেয়েছিলাম এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি

raw 31.8.13শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধি>>এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি বলেন, আমি রাউজানের উন্নয়নে সব সময় সচেষ্ট, রাউজানকে নিয়েই আমি সব সময় চিন্তা করি। এ চিন্তা থেকেই আমি এমপি হই বা না হই আজীবন রাউজানবাসির পাশে থাকতে চাই। তিনি বক্তব্যে বলেন ৭১ সালের দেশ স্বাধীনতার পর জাতীর জনক বঙ্গবন্দ্বু শেখ মুজিবুর রহমান পেয়েছিল যুদ্ববিধস্থ দেশ । একটি যুদ্ববিধস্থ দেশকে যখন অর্খনৈতিক সম্বৃদ্বির পথে নিয়ে আসেন জাতীর জনক বঙ্গবন্দু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই সময়ে জাতীর জনক বঙ্গবন্দ্বু শেখ মুজিবুর রহমান কে স্বপরিবারে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট হত্যা করে । ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে রাউজান আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর দায়িত্ব প্রদান করেন । আমি রাউজানের প্রতিটি এলাকায় বিচরণ করে রাউজান কে একটি যুদ্ববিধস্ত এলাকার মতো দেখতে পেয়েছিলাম । ৯৬ সালে থেকে অবহেলিত রাউজানের রাস্তা ঘাট, ব্রীজ, শিক্ষা প্রতিষ্টান এর উন্নয়ন কাজ করেছি । বর্তমান সরকারের শাসন আমলে রাউজান থানা ভবণ, রাউজান ফায়ার ষ্টেশন, রাউজান পৌর ভবণ, রাউজান পুর্ব গুজরা পুলিশ তদন্ত ফাড়ীঁ, ভুমি অফিস, পাবলিক হল অটডেরিয়াম ভবন, দুইটি উপশহর প্রকল্প, ২৬ মেগাওয়াট বিদুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মান কাজ সহ রাউজানে এক হাজার দুইশত কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছি । রাউজান বাসী আগামী নির্বাচনে আবারো ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে রাউজানের নোয়াপাড়া কচুখাইন এলাকা থেকে নগরীর মোহরা পর্যন্ত হালদা নদীর উপর ব্রীজ নির্মান করবো । উপজেলার নোয়াপাড়া পথের হাট চত্ত্বরে বঙ্গবন্ধু শোক সভায় গতকাল শনিবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি এ কথা বলেন। ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ও নোয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র শফিকুল ইসলাম চৌধুরী। ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া ও মঞ্জুর হোসেনের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মুসলিম উদ্দিন খান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফৌজিয়া খানম মিনা, রাউজান পৌর সভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র বশির উদ্দিন খাঁন, রাউজান উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা রুজিনা ইয়াসমিন রুজি , রাউজান থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো.এনামুল হক, পশ্চিম গুজরা ইউপি চেয়ারম্যান লায়ন সাহাব উদ্দিন আরিফ, ইউপি চেয়ারম্যান ভূপেষ বড়–য়া, কদলপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুজাহিদ উদ্দিন চৌধুরী লিংকন, আ.লীগ নেতা দুলাল বড়–য়া, আবুল বশর বাবুল, আজম খান, এডভোকেট দীপক দত্ত, মুক্তিযোদ্ধা সুনিল কান্তি বিশ্বাস, জাহাঙ্গীর সিকদার, দক্ষিন রাউজান ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল জব্বার সোহেল,সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রমূখ। পরে এক কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন করা হয়।