আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন-বাংলাদেশের স্বাধীনতা

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| রবিবার, ২৫ মার্চ , ২০১৮ সময় ০৯:২১ অপরাহ্ণ

 

শিক্ষার্থীদের সাথে মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ পুলিশ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ এর ডিআইজি ড. এস এম মনির-উজ-জামান (বিপিএম, পিপিএম) এর সাথে একটি ভিন্নধর্মী অনুষ্ঠান ‘মুক্তিযুদ্ধের কথোপকথন’ অদ্য ২৫শে মার্চ ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আহসান হাবীব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বাংলাদেশ পুলিশ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ এর ডিআইজি ড. এস এম মনির-উজ-জামান (বিপিএম, পিপিএম)। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম এর মহাসচিব লেখক মো. কামাল উদ্দিন, সমাজসেবী হাজী রফিকুল আলম, পূর্বাশার আলো’র কেন্দ্রীয় সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহার, রাজনীতিক একেএম নাজমুল প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানে ড. এস এম মনির-উজ-জামান বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা সুন্দরভাবে জীবনযাপনের জন্য মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। ১৩ বছর বয়সে আমি একজন স্বচ্ছল ও মেধাবী সন্তান হওয়া সত্ত্বেও স্বাধীনতার চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিই। পশ্চিম পাকিস্তানিদের শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে আমরা ঝাঁপিয়ে পরে একটি স্বাধীন দেশ গড়ার লক্ষ্যে কৃষক-শ্রমিকসহ সকল স্তরের মানুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নেতৃত্বে একীভূত হই। পৃথিবীর ইতিহাসে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অত্যাচার একটি নির্মম ইতিহাস। আমাদের মা-বোনের সম্ভ্রম হারানো ও ৩০ লক্ষ শহীদের শাহাদাত বরণের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতা সুরক্ষার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মের। বিশ্বের উন্নত দেশের সাথে সাথে বাংলাদেশের মানুষ এগুচ্ছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সামাজিক সূচকের উন্নয়নে বাংলাদেশ অগ্রসরমান। এছাড়া উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরে বৈশ্বিক স্বীকৃতির প্রধান উৎস স্বাধীনতা। নতুন প্রজন্মই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করে তুলবে। শিক্ষা শুধু জ্ঞান অর্জনই নয় বরং জীবনের ভিত মজবুত করে। মেধা ও সক্ষমতা বাড়ায়। প্রত্যয়দীপ্ত মানুষ হিসেবে বিশেষত নির্ভরতার জায়গাটা হচ্ছে শিক্ষা। শিক্ষার্থীরা এই সময় বিভিন্ন প্রশ্ন বিশেষত পাকিস্তানিদের যুদ্ধ পদ্ধতি, রণাঙ্গণের অভিজ্ঞতা, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা, রাজনৈতিক আন্দোলন, কোটা পদ্ধতি, বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড, গেরিলা যুদ্ধ, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ, দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়া ইত্যাদিসহ মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।


আরোও সংবাদ