‘আমরা জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যুদ্ধের ময়দানে আছি’

প্রকাশ:| সোমবার, ৪ জুলাই , ২০১৬ সময় ০৮:৫৪ অপরাহ্ণ

৯নং ২
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাাঁয় রক্তাক্ত সন্ত্রাসী বর্বরোচিত হামলাকে ভয়াবহ ও নিষ্ঠুরতম আখ্যায়িত করে বলেছেন, হামলাকারীদের সাথে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের যোগসূত্রতা থাকলেও তাদের শেকড় বাংলাদেশেই। হামলাকারীরা বাংলাদেশী উচ্চবিত্ত পরিবারের উচ্চশিক্ষিত সন্তান। তাদের অভিভাবকরা পদস্থ সরকারি আমলা, পুলিশ কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী; এমনকি রাজনীতিকও। তাই বাংলাদেশে হামলাকারীদের শেকড় খুঁজে বের করতে ৭১’র মতই আমরা এখন যুদ্ধের ময়দানে আছি। তিনি আজ সকালে উত্তর পাহাড়তলী ৯নং ওয়ার্ডে নেছারিয়া মাদ্রাসায় দুঃস্থদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।
৯নং
তিনি আরো বলেন, উচ্চবিত্ত পরিবারের মেধাবী সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত হবার পরও ধর্মীয় উগ্রসন্ত্রাসবাদ তাদেরকে মগজ ধোলাই করছে এবং বেহেস্তে যাবার দুয়ার খুলে দেয়ার প্রলোভনে মানুষ হত্যার কুমন্ত্রনা দিয়ে আত্মঘাতী হতে প্রলুব্ধ করছে। এটা একটি বিপজ্জনক অশনি সংকেত। তাই আমাদের সন্তানদের উচ্চশিক্ষিত করলেই চলবে না, তারা বিপথগামী ও শেকড়চ্যূত হচ্ছে নাকি সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার সন্ত্রাস বিরোধী ঐক্য গড়ে তোলার প্রস্তাব প্রত্যাখান করে বলেন, তিনি ক্ষমতায় থাকার সময় বাংলা ভাই সৃষ্টি করেছেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলার ঘটনা তার সন্তান তারেক জিয়া হাওয়া ভবন থেকে মনিটরিং করেছেন এবং যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় পেট্রোল বোমার আগুনে পুড়িয়ে শত-শত নারী-পুরুষ-শিশু হত্যা করেছেন। জঙ্গীবাদের মূল পৃষ্ঠপোষকই হলেন তিনি। তাই কি ভাবে সম্ভব তাঁকে নিয়ে সন্ত্রাস বিরোধী ঐক্য গড়ে তোল? তিনি যদি সত্যিকার ঐক্য চান অবশ্যই তাঁকে জামাত ও যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের দুঃস্থ জনগণের পাশে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হবার আহবান জানান।

৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ মামুনের উদ্যোগে আড়াই হাজার দুঃস্থ নারী-পুরুষের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- পাহাড়তলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ্ব নুরুল আবছার মিয়া, নিয়াজ আহম্মদ, মনির আহম্মদ ভূঁইয়া, মজিবুর রহমান শরিফ, মোজাফফর আহম্মদ মাছুম, ফয়েজ আহম্মদ, নাছির উদ্দিন, মোঃ হানিফ, আবুল হাসনাত সৈতক, নাজমা মাওলা, ডাঃ হাবিবা, রুবি আক্তার, ফরিদা আক্তার, ইমরান আলী রাজু, মোঃ জসিম প্রমুখ।