আনোয়ারা ও বাঁশখালীতে পৃথক ধর্ষণ এর ঘটনায় দুই ধর্ষকের যাবজ্জীবন

প্রকাশ:| বুধবার, ২২ জানুয়ারি , ২০১৪ সময় ১০:৪৩ অপরাহ্ণ

ধর্ষকআনোয়ারা ও বাঁশখালী উপজেলায়
[one_half_last]পৃথক দু’টি ধর্ষণ [/one_half_last]মামলায় অভিযুক্ত দুই ধর্ষককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। একই রায়ে আদালত তাদের প্রত্যেককে ৫০ টাকা অর্থদণ্ডও করেছেন।

বুধবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এ রায় দিয়েছেন।

দণ্ডিত দু’ধর্ষক হলেন- আনোয়ারা সদর এলাকায় মাহবুব আলীর ছেলে মো. লোকমান (৩৫) এবং বাঁশখালীর পূর্ব চাম্বল গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে আমির হামজা (৪০)। উভয়ই বর্তমানে পলাতক।

ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদার বাংলামেইলকে জানান, দু’টি মামলায় পৃথকভাবে দু’জন আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় আনা অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পারায় আদালত দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। অর্থদণ্ডের টাকা আসামিদের কাছ থেকে আদায় করে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রদানের জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ত্রিশোর্ধ এক নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানায় মামলাটি দায়ের হয়েছিল ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি। আগের দিন মধ্যরাতে আনোয়ারা উপজেলা সদর এলাকায় একটি ভাড়া কলোনিতে বসবাসরত ওই নারী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাসা থেকে বের হলে প্রতিবেশি ভাড়াটিয়া লোকমান তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত শেষে আনোয়ারা থানা পুলিশ ২০০৯ সালের ৫ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১৫ জুন আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগপত্রে উল্লিখিত ১০ সাক্ষীর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষে মোট সাতজন সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়।

এদিকে বাঁশখালী থানায় অপর মামলাটি দায়ের হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ১৭ আগস্ট। মামলার আসামি আমির হামজা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিবেশি এক তরুণীকে তার বাড়িতে এবং কক্সবাজারের একটি হোটেলে নিয়ে ১৯৯৮ সালের ৩০ মার্চ দু’দফা ধর্ষণ করেন। মামলা দায়েরের পর তদন্ত শেষে ১৯৯৮ সালের ১৬ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ১৯৯৯ সালের ১০ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মোট পাঁচজন সাক্ষী আদালতে উপস্থাপন করা হয়।