আনন্দ শোভাযাত্রা

প্রকাশ:| শনিবার, ২৫ নভেম্বর , ২০১৭ সময় ১০:৩৪ অপরাহ্ণ

বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ ও শোভা যাত্রা
বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষন ইউনেস্কো কতৃক ” বিশ্ব প্রমাণ্য ঐতিহ্যের” স্বীকৃতি লাভের অসামান্য অর্জন উপলক্ষে চন্দনাইশ সাতবাড়ীয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গতকাল শনিবার মা সমাবেশ ও শোভাযাত্রা মোহাম্মাদ নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্যা ও দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি শাহিদ আকতার জাহান। উদ্বোধক ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দীন, প্রধান আলোচক ছিলেন অধ্যাপক এ টি এম সালেহ জহর, বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যপক আবদুল আলীম, ফকরুদ্দীন, মো. খাঁন, এস.এম. সিরাজুদ্দৌল্লহ, মুফতি সৈয়দ আশেকুর রহমান, খাইরুজ্জামান সোহেল, আহম্মদ নবী, অভিভাবক সদস্য আবদুল হান্নান, ইয়ামুন নাহার প্রমুখ। শুরুতেই ৭ই মার্চের ভাষন স্বীকৃতি পাওয়ায় আনন্দ র‌্যালি আয়োজন করা হয়, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ, প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্ডেনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্র শিক্ষক, অভিভাবকসহ সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহিদা আকতার জাহান বলেন, বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন সারা বিশ্বের নেতা তিনি শুধু বাংলাদেশের নেতা না। যার প্রমান সারা বিশ্বব্যাপী আজ প্রমানিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা হচ্ছে নারী বান্ধব সরকার তিনি এ দেশের অবহেলিত নারীদের উন্নয়নে এবং স্বাবলম্বী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। নারীদের কর্মস্থান তৈরী,সমমর্যাদা, নারীদের সামজিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি কাজ করছেন।-২৫-১১-২০১৭।
ছবির ক্যাপশন- চন্দনাইশ সাতবাড়ীয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে মা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন জেলা পরিষদের সদস্যা শাহিদা আকতার জাহান।

 

বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদরাসার উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রা
জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর ‘বিশ্বপ্রমাণ্য ঐতিহ্যর’ স্বীকৃতি অর্জন করায় বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদরাসার উদ্যোগে এক বিশাল বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বায়তুশ শরফ মাদরাসা প্রঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়। শেষ এক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদরাসা অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সাইয়েদ মুহাম্মদ আবু নোমান। আলোচনা অংশ গ্রহণ করেন উপাধ্যক্ষ মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা ফরহাদ আলম, প্রভাষক জামাল উদ্দিন, ইকরামুল হক, আরিফুল আজম, মাওলানা শাহজাহান, মাওলানা সালা উদ্দিন, মাওলানা মির্জা জিয়া উদ্দিন,সিরাজুল হক নদভী, খোরশেদুল আলম ও জসিম উদ্দি প্রমুখ।
আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভায় অধ্যক্ষ প্রফেসর ড, সাইয়্যেদ আবু নোমান বলেন, ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক এই ৭ মার্চের ভাষণটি ইউনেস্কোর “বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য’র” স্বীকৃতি অর্জন করায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। এই অর্জন বাঙ্গালী জাতিকে আরো উন্নত শিখরে পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করেন।

 


আরোও সংবাদ