আদালতে জলদস্যুর বিরুদ্ধে মামলা করায় বাদীকে প্রাণ নাশের হুমকি

প্রকাশ:| সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর , ২০১৭ সময় ০৯:৩৬ অপরাহ্ণ

লিটন কুতুবী
কুতুবদিয়া-কক্সবাজার:
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে ইয়াবা বড়ির টাকা যোগাড় করার জন্য সাগরে জলদস্যুতাসহ বিভিন্ন অপরাধমুলক কাজে জড়িয়ে পড়েছে কুতুবদিয়া উপকূলের উঠতি বয়সের যুবকেরা। এসব যুবকেরা ডাকাতি, সন্ত্রাসী, খুন,ইয়াবা ও মাদক সেবনসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। গতকাল সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কুতুবদিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে লেমশীখালী ইউনিয়নের ছিন্নি খাইয়াপাড়ার তোরাব উদ্দিনের স্ত্রী মোহছেনা বেগম বাদি হয়ে জলদস্যু কৈয়ারবিল ইউনিয়নের শাকের উল্লাহ ছেলে মোহাম্মদ হাছান মাঝি,লেমশীখালী ইউনিয়নের নয়াকাটার জহির আলমের ছেলে মন্নান,তাদের সহযোগী ঐ ইউনিয়নের গাইনেকাটার আকতার আহমদের ছেলে নুরুল ইসলাম, ছিন্নি খাইয়াপাড়ার আবু মোস্তফার ছেলে মোঃ ফারুককে আসামী করে মামলা রুজু করে। যার মামলা নং ৩৮১৭ তাং-১৮ সেপ্টেম্বর) আদালত ফৌজদারী দরখাস্তটি কুতুবদিয়া থানাকে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নিদের্শ দেন। এজাহারের বিবরণে জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে দরবার ঘাট এলাকা থেকে হাছান মাঝি তার স্বামী তোরাব উদ্দিনের মালিকানাধীন ট্রলার নিয়ে সাগরে মাছ ধরার উদ্যেশ্যে যায় । ঐ দিন দুপুরে মাঝি হাছনের বাড়ির পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে কৈয়ারবিল এলাকায় টলারটি নিয়ে ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা (কোস্ট গার্ড) অভিযান চালায়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে জলদস্যুরা পালিয়ে যায়। ঐ ঘটনায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দুই জলদস্যু তিন ছাত্রসহ ট্রলারটি আটক করে থানায় হস্তান্তর করে। মামলার বাদি জানান ,তার স্বামী একজন প্রতিবন্ধি। পারিবারিক তুচ্চ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোরাবের মালিকানাধীন ট্রলারটি পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইয়াবা আসক্ত যুবকদের লোভনীয় অপার দেখিয়ে জলদস্যু কাজে ব্যবহার করছে। ঘটনার মূল নায়ক আসামী নুরুল ইসলাম ও ফারুক মামলায় আসামী হওয়ার পর বাদিকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তারা উল্টো মামলায় জড়িয়ে হয়রানীসহ প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে বলে বাদি মোহছেনা বেগম সাংবাদিকদের জানান।


আরোও সংবাদ