আগামী অর্থ বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি)

প্রকাশ:| সোমবার, ১ জুন , ২০১৫ সময় ০৭:২৫ অপরাহ্ণ

আগামী অর্থ বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি) বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া হবে দ্রুত ও বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। মূল লক্ষ্য দুর্নীতিমুক্ত রাখা এবং গুণগত মান নিশ্চিত করা। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে মাথায় রেখে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। বড় প্রকল্প ছাড়া অন্যসব প্রকল্প দুই বছরের মধ্যে শেষ করতে হবে।

আগামী ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী এডিপির জন্য ৯৭ হাজার কোটি টাকা চূড়ান্ত বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় মুদ্রা ৬২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। আর প্রকল্প সাহায্য ৩৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

১৭টি খাতকে গুরুত্ব দিয়ে ৩২৪ টি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেগুলো হলো: কৃষি খাতে ৪ হাজার ৬৯০ কোটি টাকা, পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী প্রতিষ্ঠান ৮ হাজার ৪৩৩ কোটি, পানি সম্পদ ২ হাজার ৭১০ কোটি, শিল্প খাতে ১ হাজার ৪৭৭ কোটি, বিদ্যুত খাতে ১৬ হাজার কোটি টাকা, তেল, গ্যাস ও প্রাকৃতিক সম্পদ খাতে ১ হাজার ৯৯৪ কোটি টাকা।

এছাড়া পরিবহন খাতের ২০ হাজার ২৩৬ কোটি টাকার মধ্যে সড়ক পরিবহণে ৪ হাজার ৮২৫ কোটি, সেতুতে ৮ হাজার ৯২১ কোটি, রেল নৌ ও বেসামরিক বিমান পরিবহনে ৬ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। যোগাযোগ খাতে ১ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকা, ভৌত পরিকল্পনা পানি সরবরাহ ও গৃহায়ণ খাতে ১০ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেন, মনিটরিং অনেক জোড়দার করবো। আইএবিডি লেগেই থাকবে। এবং আইএবিডির যদি নাম্বার অব হেন্টস কম থাকে তবে তাদের আমরা আউটসোর্স করার সুযোগ করে দেবো।

শিক্ষা ও ধর্ম খাতে রাখা হয়েছে ১০ হাজার ৩৯ কোটি, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে ৩১০ কোটি, স্বাস্থ্য পুষ্টি জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণে ৬ হাজার ৮১ কোটি টাকা।

গণ সংযোগে ১২৫ কোটি, সমাজকল্যাণ মহিলা বিষয়ক ও যুব উন্নয়নের জন্য ৪৯০ কোটি, জনপ্রশাসনে ২ হাজার ৮৬৯ কোটি, বিজ্ঞান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ২ হাজার ২৯০ কোটি ও শ্রম কর্মসংস্থানে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৩১ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা মন্ত্রী আরো বলেন, একজন প্রকল্প পরিচালক কখনো দুটি প্রকল্পের দায়িত্বে থাকবে না। দুইবারের বেশি কোনো প্রকল্পই আমরা সংশোধনের জন্য গ্রহণ করবো না।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের এডিপিতে উন্নয়ন সহায়তা হিসেবে ১০টি খাত রাখা হয়েছে, সেগুলো হলো: ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তায় ১০ কোটি, উপজেলার জন্য ৪৩০ কোটি, জেলা পরিষদের জন্য ৩৮০ কোটি, পৌরসভার উন্নয়নে ৩৭০ কোটি, সিটি কর্পোরেশন উন্নয়নে ২১০ কোটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় সরকার উন্নয়ন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য এলাকার উন্নয়ন ও বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তার জন্য ১ হাজার ৯০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে উন্নয়ন বাজেটে।


আরোও সংবাদ