আইফোন ৬ এস এবং ৬ এস প্লাস

প্রকাশ:| শনিবার, ২৯ আগস্ট , ২০১৫ সময় ১০:৫৪ অপরাহ্ণ

আইফোনস্মার্টফোন বাজারে ২০ শতাংশ আইফোন ব্যবহারকারীদের সন্তুষ্ঠিঅর্জনে আইফোন ৬ এস এবং ৬ এস প্লাস নামক এই দুটি স্মার্টফোনে বেশ কিছু আপগ্রেড প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান। ।

আইফোনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হচ্ছে এর ব্যাটারি লাইফ। আইফোন ব্যবহারকারীরা অধিকাংশ সময়ে চার্জ দেয়ার জন্য হালকা কেবল খোঁজ করেন। এছাড়া এর ব্যাটারি লাইফ নিয়ে অনেকেরই অভিযোগ রয়েছে।

এইঅবস্থায়সনি’র প্রস্তুতকৃত স্মার্টফোনের  মত আইফোন ৬ প্লাসেও ব্যাটারি লাইফ দুই দিনে উন্নীত করা সম্ভব বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

আইফোনের ক্যামেরা বাকি সব স্মার্টফোনের চেয়ে বেশ উন্নত বলে দাবি করে আসছে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। তবে ক্যামেরায় মেগাপিক্সেল বাড়িয়ে বাকি স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আইফোনের সঙ্গে বেশ ভালভাবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

এই অবস্থায় আইফোন ৬ এস-এ সেলফি তোলার পাশাপাশি উন্নত অটোফোকাস এবং অপটিকাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন সুবিধা নিশ্চিত করা উচিত বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

এছাড়া সল্প আলো এবং বিভিন্ন কোণ থেকে সেলফি তোলার সুবিধার্থে ফ্রন্ট ক্যামেরা আপগ্রেডও প্রয়োজন।

অ্যাপলের ভার্চুয়াল ভয়েস অ্যাসিস্টেন্ট সিরি গ্রাহকদের মনোযোগ আকর্ষণে সক্ষম হলেও টাইমার বা অ্যালার্ম সেট করা ছাড়া অন্য কাজে এর পারদর্শিতা নিয়ে সংশয় রয়েছে।  এই অবস্থায় অ্যাপলের হোমকিট অটোমেশন সিস্টেমে সিরির ভূমিকা আরো জোরদার করার তাগিদ দিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

এক্ষেত্রে বিভিন্ন ফিচার অন্তভূর্ক্ত করে সিরির সঙ্গে গ্রাহকদের আরো ভালভাবে সম্পৃক্ত করা আবশ্যক।

অ্যাপলের নতুন স্মার্টফোনগুলোতে অ্যাপল ওয়াচ এবং ম্যাকবুকে ব্যবহৃত প্রেসার-সেনসিটিভ স্ক্রিন এবং টাচপ্যাড ফিচার আনা হচ্ছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

তবে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, অ্যাপল ওয়াচে ঠিক কখন ফোর্স টাচ ব্যবহার করতে হবে তা সম্পূর্ণপরিষ্কার  না হওয়ায় অনেক গ্রাহকই ভোগান্তির শিকার হন। তাই অ্যাপল স্মার্টফোনে এই ফিচার অন্তর্ভূক্ত করার আগে এই বিষয়টি নিয়ে গ্রাহকদের পরিষ্কার ধারণা দেয়া জরুরী।

দুই-তিন বছরের পুরনো আইফোনগুলোকে সর্বশেষ সংস্করণে আপগ্রেড করার ব্যাপারে গ্রাহকদের রাজি করানো অ্যাপলের জন্য সহজই হবে। তবে উচ্চমূল্যের কারণে নতুন আইফোনগুলোতে বাস্তবে কাজে লাগে এমন সুবিধা বৃদ্ধি করা উচিত বলে মনে করছে দ্য গার্ডিয়ান।

উল্লেখ্য, আইফোনের ক্ষেত্রে প্রতিবারই দুইধাপে আপডেট কাজ পরিচালনা করে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল।

প্রথম বছরে হার্ডওয়্যার ডিজাইনে উন্নতির দিকে মনোযোগ দেয়া হয়। তারপরের ধাপে ভেতরের অংশ এবং নতুন সার্ভিস যোগ করার দিকে গুরুত্বারোপ করা হয়।

ইতোপূর্বে ২০১২ সালে বাজারজাত করা আইফোন ৫-এ বড় স্ক্রিনের পাশাপাশি বডি ডিজাইন এবং উন্নত ক্যামেরা নিশ্চিত করা হয়। তারপর ২০১৩ সালে বাজারজাতকৃত আইফোন ৫ এস-এ টাচ আইডি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং দ্রুততর প্রসেসর ব্যবহার করা হয়।

গতবছর ৪.৭ ইঞ্চি স্ক্রিনের আইফোন ৬ এবং ৫.৫ ইঞ্চি স্ক্রিন সমৃদ্ধ আইফোন ৬ প্লাস বাজারজাত করা হয়। তাই বরাবরের মত ৯ সেপ্টেম্বরে উন্মুক্ত হতে যাওয়া আইফোনে বিভিন্ন ফিচারের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করা হবে তা বলাই যায়।