আইপিএলের রেসিপি মেনে চলছে…

প্রকাশ:| বুধবার, ৩০ নভেম্বর , ২০১৬ সময় ১১:০০ অপরাহ্ণ

ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট যেন আইপিএলের রেসিপি মেনে চলছে। টাকার ছড়াছড়ি, তারকা সমাবেশ, পার্টি সংস্কৃতি। বাংলাদেশের বিপিএলেও এর ছোঁয়াচ লেগেছে। এই পার্টি সংস্কৃতি নিয়ে শুরু থেকেই একটা প্রশ্ন ছিল। যদিও সেই মাত্রায় বিপিএলে এসব হয় না বলে এ নিয়ে প্রশ্নও জোর গলায় ওঠেনি কখনো। আজকের সংবাদ সম্মেলনেও প্রসঙ্গটি এল। বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক বললেন, ‘পার্টি বন্ধ বা পার্টির প্রতি নেতিবাচক মনোভাব নেই আমার। পার্টি সংস্কৃতিটা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটকে ঘিরে সব সময়ই আছে। পার্টি বন্ধ বা এর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব নেই আমার।’

তবে এটা যেন সীমা ছাড়িয়ে না যায়, অশোভনীয় কিছু না ঘটে, সে ব্যাপারেও বিপিএলের সবাই সদা সতর্ক বলে দাবি তাঁর, ‘বাংলাদেশে একটা ম্যাচ শেষ হয় রাত ১০টায়। টিম হোটেলে যেতে যেতে ১২টা। কেউ জিতলে ১২টা পর উদ্‌যাপন করে, কেউ হারলেও খেলোয়াড়দের চাঙা রাখতে সেলিব্রেশন করে। উদ্‌যাপনের একটি মাধ্যম পার্টি হতেই পারে। আমাদের কোনো খেলোয়াড় উচ্ছৃঙ্খল কাজের সঙ্গে যাতে জড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য প্রতিটি টিম হোটেলে আমাদের অ্যান্টি করাপশন অ্যান্ড ইনটেলিজেন্স ইউনিট আছে। যেটা আমাদের নজরে আসছে, সেটাতেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
এসব প্রসঙ্গ উঠে এল মাঠের বাইরে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধে আল আমিন ও সাব্বির রহমান বড় অঙ্কের জরিমানা গোনায়। দুজন মিলে প্রায় ২৫ লাখ টাকা জরিমানার মুখে পড়েছেন। পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, হোটেল রুমে নিয়মবহির্ভূত নারী অতিথি নিয়ে যাওয়ার অপরাধেই এই বিশাল অঙ্কের জরিমানা। এ কারণেই আজ এই সংবাদ সম্মেলন।
খেলোয়াড়দের জন্য আচরণবিধি আছে। সেটা ভাঙলে আছে শাস্তির ব্যবস্থাও। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো সচেতন না হলে খেলোয়াড়দের আচরণবিধি ভঙ্গের ঘটনা বাড়তেই থাকবে। এ ব্যাপারে মল্লিক বললেন, ‘ফ্র্যাঞ্চাইজির বিষয়েও আমাদের কঠোর নিয়ন্ত্রণ আছে। আমরাই একমাত্র বোর্ড, যারা সব ঠিক করতে এক বছর বিপিএল আয়োজন করিনি। তারপরও নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারব না যে বিপিএলে সমস্যা হবে না। সমস্যা হতেই পারে। সমস্যাটা আমরা সমাধান করতে পারি কি না, সেটাই আসল কথা।’