আইনের তোয়াক্কা করেননা তিনি

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৯ জুলাই , ২০১৬ সময় ১১:০২ অপরাহ্ণ

কৃষকলীগ নেতা বলেই আইন মানেন না লবণ ব্যবসায়ী নাসির

পেকুয়া প্রতিনিধি

অতিরিক্ত লবণ একটি ভ্যান গাড়িপেকুয়া সদর ইউনিয়নের পূর্ব গোয়াখালী এলাকার জাফর আলমের পুত্র নাসির উদ্দিন। উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ন-আহবায়ক। এছাড়াও সে একজন লবণ ব্যবসায়ী। সাথে রয়েছে তার ভাই ফেরদৌস। সেইও আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। এ দু’ভাই মস্ত বড় নেতা হওয়ায় মানেননা কোন ধরণের আইন। রাজনীতি করে আওয়ামী সরকারের ক্ষতি হলে সরকারের হবে তাতে তাদের কি? এ চিত্র সরোজমিন ধরা পড়েছে গতকাল ২৯ জুলাই কাটাফাঁড়ি ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায়।
গত কয়েকদিনে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত পাথর ও লবণ বোঝায় গাড়ি চলাচল করায় বর্তমান সরকারের নতুন ভাবে তৈরি করা কাটাফাঁড়ি ব্রীজের দু’পার্শ্বে ব্যাপক গর্তের সৃষ্টি হয়। বন্ধ হয়ে যায় ছোট বড় সব ধরনের যান চলাচল। বিষয়টি সড়ক ও জনপদ বিভাগ, স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্ত মারুফুর রশিদ খান, উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজুর দৃষ্টি গোছর হলে তাৎক্ষনিক চলাচলের উপযুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। সড়ক ও জনপদ বিভাগ স্থানীয় প্রশাসনকে নিয়ে যান চলাচলের উপযুক্ত করে ব্রীজের দু’পার্শ্বে অতিরিক্ত বুঝায় গাড়ি যাতে পারাপার করতে না পারে সে জন্য দেওয়া হয় পিলার এর রেইলিং।
সরোজমিন গিয়ে দেখা গেছে, কৃষকলীগ নেতা নাসির উদ্দিন ও তার ভাই ফেরদৌস অতিরিক্ত লবণ একটি ভ্যান গাড়ি(ঢাকা-চট্রমেট্রো ১১-৮৫৭৩) ব্রীজের উপরে দাঁড় করিয়েছেন। পিলার দেওয়ায় গাড়িটি কিছুইতে যেতে না পেরে তাদের দু’জনের নেতৃত্বে আরো কয়েকজন শ্রমিক পিলার গুলো ওঠিয়ে ফেলার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে পুরো ওঠাইতে না পারলেও গাড়িটি যাওয়ার মতো বাঁকা করে দেয়। এরপরও গাড়িটি ওভাবে পার হতে না পেরে এক প্রকার জোর করে পিলার গুলো বাঁকা করে গাড়িটি পার করে। যার কারণে নড়বড় হয়ে যায় সব পিলার।

সরকারের উন্নয়ন কাজের ক্ষতি করে কেন ব্যক্তি স্বার্থ বড় করে দেখছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাসির উদ্দিন ও তার ভাই ফেরদৌস বলেন, লবণ ব্যবসায়ী করি গাড়িতো পর করতেই হবে। আপনারা যা পারেন লিখেন।
নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফুর রশিদ খান জানান, ব্রীজের দু’পার্শ্বে রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে দেখে সড়ক ও জনপদ বিভাগ অতিরিক্ত বোঝায় গাড়ি যাতে পার হতে না পারে সেজন্য পিলার গুলো দেওয়া হয়েছিল। এ আইন যারাই অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।