অ্যাসাই কোডা চালু

প্রকাশ:| সোমবার, ১ জুলাই , ২০১৩ সময় ০৪:৫১ অপরাহ্ণ

স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন ও তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে ব্যবসায়িক পরিধি বাড়ানোসহ কর ফাঁকি রোধ এবং রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে অত্যাধুনিক CTG costomপ্রযুক্তি অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ডের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ মিলনায়তনে কম্পিউটারে অ্যাসাইকোডা ওয়ার্ল্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (কাস্টমস) মো. নাসির উদ্দিন।

কাস্টমসের শুল্কায়ন কার্যক্রমে সময় ও অর্থ ব্যয় কমাতে দেশে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম কাস্টমসে এ পাইলট প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ সফটওয়্যারটি দেশের অন্য সব কাস্টম হাউসেও চালু করা হবে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার মাসুদ সাদিকের সভাপতিতত্বে অনুষ্ঠানে কাস্টমসের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বক্তারা বলেন, ‘বন্দর থেকে পণ্যের খালাস প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজ হবে। এছাড়া চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস বিশ্বের অন্যান্য কাস্টমসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করবে।’

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড প্রযুক্তি বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে ওয়েব বেইজড ডাটা এন্ট্রি হবে। ফলে মোবাইল ফোন বা যেকোনো ডিভাইস ব্যবহার করে এই প্রযুক্তিতে সহজেই বিল অব এন্ট্রির স্ট্যাটাস জানা যাবে।

বিভিন্ন পয়েন্টে ই-ডকুমেন্ট ভেরিফাই হবে। ফলে শুল্ক পরিশোধ ব্যতীত কোনো পণ্য বন্দর থেকে ডেলিভারি নেয়া যাবে না। তা ছাড়া বায়োমেট্রিক সিকিউরিটি সিস্টেম থাকায় (ফিঙ্গার প্রিন্ট, চোখের আইরিশ) পণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

আমদানি-রফতানি পণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তিতে ইউজার অথেন্টিকেশন সিস্টেম (গ্রুপ, নাম ও পাসওয়ার্ড) থাকছে।

বর্তমানে চালু থাকা অ্যাসাইকুডা প্লাসে বেশ কিছু দূর্বলতা থাকায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্য ছাড়িয়ে নিতে জালিয়াত চক্র বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন বলে অভিযোগ আছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অ্যাসাইকুডা প্রযুক্তি বিশ্বের ৯০টি দেশের কাস্টমস ব্যবহার করে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড এর কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

এর আগে বন্দর ব্যবহারকারীদের ভোগান্তি কমানো ও রাজস্ব আদায় শক্তিশালী করতে ২০০৮ সালের ৬ অক্টোবর চট্টগ্রাম শুল্ক ভবনে অটোমেশন কার্যক্রম শুরু হয়।