অস্থির হয়ে উঠছে দেশের গাড়ি’র বাজার

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৯ মে , ২০১৫ সময় ০৭:০৯ অপরাহ্ণ

বাজেট ঘোষণার দিন যতোই এগিয়ে আসছে, ততোই অস্থির হয়ে উঠছে দেশের গাড়ি’র বাজার। বিশেষ করে বাজেটে শুল্ক হার আরোপ নিয়ে আমদানিকারকরা যেমন অস্থিরতার মধ্যে রয়েছেন, তেমনি ক্রেতারাও গাড়ি কিনতে গিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
গাড়ি’র বাজার
এদিকে, এ ধরণের জটিলতা এড়াতে স্থির শুল্ক নীতিমালা প্রণয়নের দাবি বারভিডা’র।

জুনের শুরুতে জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করার কথা থাকলেও অন্তত দু’মাস আগে থেকেই অস্থিরতা বিরাজ করছে গাড়ি’র বাজারে। কারণ বাজেটে গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে শুল্কহার বাড়ানো হলে আমদানিকারক এবং ব্যবসায়ীরা লাভবান হন। আর কমানো হলে লাভবান হন ক্রেতারা। দু’পক্ষই অপেক্ষায় থাকেন বাজেটের। এ পরিস্থিতিতে বাজেটের আগে গাড়ি কেনাবেচা অনেকটা কমে যায়।

বারভিডা মহাসচিব মাহবুবুল হক বাবর বলেন, ‘বাজেটে কখনো শুল্ক করে হার বাড়ানো হয় আবার কখনো হার কমানো হয়। কখনো গাড়ির আমদানির বয়সসীমাও অনেক সময় বাজেটে একটি নির্দেশনা দেয়া হয়। এসব কারণে তারা উদ্বেগের মধ্যে থাকে যে গাড়িটা বাজেটের আগে ক্রয় করলে লাভবান হবো নাকি বাজেটের পরে ক্রয় করলে লাভবান হবো।’

কার চয়েজ ম্যানেজার সুজন কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘বাজেটের কারণে বাজারে ক্রেতা কমে গেছে। মানুষ কিছুটা অস্থিরতার মধ্যে আছে।’

আমদানিকৃত রিকন্ডিশন গাড়ির ওপর ৩০ শতাংশ হারে সম্পূরক শুল্ক থাকার পাশাপাশি অবচয় হার কম থাকায় অসন্তোষ রয়েছে আমদানিকারকদের মধ্যে।

বারভিডা সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমাদের ডেপ্রিয়েশনটা যদি আর একটু বাড়িয়ে দেয়া হয় তাহলে আমরা সরকারকে আরও ট্যাক্স বেশি দিতে পারব।’

বারভিডা সদস্য জুনায়েদ আল হেলাল বলেন, ‘হাইএস মাইক্রোবাসে গত বাজেটে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এবারের বাজেটে বারভিডার পক্ষ থেকে আকুল আবেদন রইল মাননীয় অর্থমন্ত্রীর কাছে যাতে এই সম্পূরক শুল্কটা ওয়েল্ভ হরা হয়।’

চলতি অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত দেশে আমদানি হয়েছে বিভিন্ন প্রকারের ৩৩ হাজার গাড়ি। মূলত জাপান থেকেই এসব গাড়ি আমদানি করা হয়েছে। আর এ খাতে রাজস্ব আদায় হয়েছে দু’হাজার কোটি টাকা।