অস্থিত্বহীন তালপট্টির জন্য মায়া কান্না করে লাভ নাই- আনিস

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই , ২০১৪ সময় ১১:৩৩ অপরাহ্ণ

হাটহাজারীতে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার বই ও অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্টানে আনিস
নিজস্ব সংবাদদাতা,হাটহাজারী ঃ পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এম পি বলেছেন আর্šÍজাতিক আদালতের মামলায় বাংলাদেশ ১ লক্ষ ১৮ হাজার বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র সীমার রায় পেয়েছেন। এটা দেশের জন্য অভাবনীয় সাফল্য। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বর্তমান সরকারের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসীকতার কারণে আর্šÍজাতিক আদালতে সমুদ্রসীমার জন্য ভারতের বিরুদ্ধে মামলা করা সম্ভব হয়েছে। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন এর পূর্বে ও তারা সরকারে ছিলেন। কিন্তু তারা এব্যাপারে কোন মামলা করেনি। বাংলাদেশ সমুদ্্রসীমা বিজয়ের পর তারা (বিএনপি) অস্থিত্বহীন তালপট্টি জন্য মায়া কান্না করছে। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার(১৭ জুলাই) হাটহাজারীতে স্বেচ্ছাধীন তহবিলের অনুদান,ইউরিয়া সারের ভুর্তকির চেক এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতার বই বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উল্লেখিত অভিমত ব্যক্ত করেন।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজার সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সভায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান পান্না।এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুবুল আলম চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের পুরুষ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যথাক্রমে মাওলানা নাছির উদ্দিন,মনোয়ারা বেগম।সভার শুরুতে পবিত্র কোরাণ তেলোয়াত করেন মোঃ ইউচুপ।সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন হাটহাজারী প্রেস ক্লাব সভাপতি কেশব কুমার অন্যান্য মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ আবদুল ওয়াহেদ,সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ ওমর ফারুক,চেয়ারম্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট সৈয়দ ফোরকান আহম্মদ,আবু ব্ক্কর সিদ্দিক ও মোঃ কামাল উদ্দিন চৌধুরী প্রমূখ।

তিনি আরো বলেন মুক্তিযোদ্ধারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধে গিয়ে ছিলেন বলেই আজকে দেশ স্বাধীন হয়েছে। স্বাধীনদেশে রাজনীতি করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, মন্ত্রী হয়েছে, সচিব হয়েছে, সরকারী কর্মকর্তা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধারা সেদিন যদি যুদ্ধে অংশ গ্রহন না করতেন তাহলে কেউ রাজনীতি করা, মন্ত্রী ও সচিব হাওয়ার সুযোগ পেত না। তিনি বলেন দেশে মানুষের খাদ্যের যোগান দিয়ে থাকে কৃষক সমাজ। কৃষকদের উন্নয়নের জন্য ও বর্তমান সরকার আন্তরিক ভাবে কাজ করছে। তাছাড়া দেশের অনেক মানুষ মধ্যপ্রাচ্য সহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। তারাই দেশের চালিকা শক্তি বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।
বড়–য়া। মন্ত্রী বলেন এ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিচ্ছে। এ সরকারের সময়ে হাটহাজারীতে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ের তিন তলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করবেন।পরে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ভাতার বই ও সারের ভ’তর্কি ও বিভিন্ন প্রতিষ্টানে অনুদানের চেক বিতরণ করেন।

হালদা নদীতে রুই জাতীয় মাছ অবমুক্ত করলেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলামআনিস1

নিজস্ব সংবাদদাতা,হাটহাজারী ঃ পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এম পি গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন্ কেন্দ্র হালদা নদীতে রুই জাতীয় মাছ অবমুক্ত করেছেন। হাটহাজারী উপজেলা মৎস্য দপ্তর জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মদুনাঘাট হ্যাচারী সংলগ্ন স্থানে মাছ অবমুক্ত করণ অনুষ্টানের আয়োজন করেন।

মন্ত্রী এসময় ছোট বড় প্রায় পাঁচ মণ মাছ হালদা নদীতে অবমুক্ত করেন।পরে তিনি মদুনাঘাট হ্যাচারী কম্পাউন্ডে একটি সফেদা গাছের চারা রোপণ করেন।এর পর তিনি হ্যাচারী পরিদর্শন করেন। এসময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রভাতী দেব,হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহাবুবুল আলম চৌধুরী,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান পান্না,উপজেলা পরিষদের পুরুষ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যথাক্রমে মাওলানা নাছির উদ্দিন,মনোয়ারা বেগম,১৩ নং দক্ষিণ মাদার্শা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হোসেন,হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা যথাক্রমে আবদুল্লাহ আল মামুন,মোঃ নাজিম উদ্দিন,মৎস্য কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন, থানার ওসি মোঃ ইসমাইল পিপিএম (বার) ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন প্রমূখ। তাছাড়া এসময় মৎস্যজীবি,জেলে সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, হালদা নদী থেকে ডিম আহরণকারী পোনা উৎপাদনকারী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী গণ উপস্থিত ছিলেন।