অস্ত্র উদ্ধার জনমনে স্বস্তি

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১ জুন , ২০১৭ সময় ১০:৩৩ অপরাহ্ণ

উখিয়ার চাঞ্চল্যকর জাবু হত্যা মামলা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা
কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া:
উখিয়ার ক্রাইম জোন খ্যাত পালংখালী সীমান্তের বটতলী এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে নির্মম ভাবে নিহত ছাত্রলীগ নেতা মজিবুর রহমান জাবু হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামী সেলিম নেওয়াজ রিজভীকে চট্রগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার ও তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জাবু হত্যাকান্ডের ব্যবহ্নত ছুরি সহ অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় উখিয়া থানা পুলিশের প্রতি সাধারন মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অনেকটা বেড়েছে বলে পালংখালীর জনগন দাবী করছে। সাধারন মানুষ আশা করছেন পালংখালী এলাকায় যে সমস্ত অবৈধ অস্ত্র রয়েছে এসব অস্ত্র উদ্ধার ও অস্ত্রবাজদের গ্রেপ্তার করে আইনের হাতে সোপর্দ করলে এলাকায় শান্তি শৃংখলা ফিরে আসবে। শান্তিতে ঘুমাতে পারবে খেটে খাওয়া অসহায় লোকজন।
গত ৭ মে সন্ধা সাড়ে ৭টায় পালংখালীর বটতলী কালাচাঁদ ডাকাতের দোকানের সামনে এলাকার দুধর্ষ সন্ত্রাসী সেলিম নেওয়াজ রিজভীর নেতৃত্বে ১০/১২ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী অতর্কিত ভাবে হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা মজিবুর রহমান জাবুকে নির্মম ভাবে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা বীরদর্পে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ ঘটনা নিয়ে এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের মাঝে দেখা দেয়, উদ্যোগ উৎকন্ঠা। সন্ত্রাসীদের রামরাজত্ব ধ্বংস করে তাদের গ্রেপ্তারের জন্য এলাকায় জোরালো প্রতিবাদ উঠে। প্রতি হিংসায় জাবু হত্যা ঘটনা যখন দক্ষিন চট্রগ্রামে তোলপাড় সৃষ্টি হয় পুলিশ তখন হন্য হয়ে উঠে জাবু হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য। নিহত জাবুর বড় ভাই লতিফুর রহমান সাংবাদিকদের জনান, সন্ত্রাসীরা তার ভাইকে খুন করে থেমে থাকে নেই। তারা সবাই এক জোট হয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে তদবির, ধরনা দিয়ে জাবু হত্যা মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছে। স্থানীয় কথিপয় রাজনৈতিক নেতা নামধারী, হত্যাকারীর দোসর প্রশাসনকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। সন্ত্রাসীরা হুমকি প্রদর্শন করে মামলা প্রত্যাহার ও বাদী পক্ষদের গ্রাম ছাড়া করার পরিকল্পনা হাতে নিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। মামলার বাদী আরো জানান, উখিয়া থানা পুলিশের দায়িত্ববোধ ও আইনশৃংলা রক্ষায় দুঃসাহসিক অভিযান চালিয়ে সেলিম নেওয়াজ রিজভীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অস্ত্র, কিরিচ, গোলা বারুদ উদ্ধারের পর এলাকায় শান্তির সুবাতাস বইছে বলে এলাকাবাসী স্থানীয় সাংবাদিকদের মতামত ব্যক্ত করেছেন। সন্ত্রাসীদের ভয়ে মূখ খুলতে নারাজ শতশত গ্রামবাসী হত্যা মামলার অন্যন্যা আসামীদের গ্রেপ্তার ও তাদের কাছে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ কায় কিসলু জানান, খুন, ধর্ষন, মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে উখিয়া থানা পুলিশের অভিযান অবিচল থাকবে। তিনি বলেন মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার চালিয়ে পুলিশের অভিযান রোধ করা কোন দিন কারো পক্ষে সম্ভব হবে না।