অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সীফ্ল্যামিঙ্গো পাখি ‘গ্রেটার’ আর নেই

প্রকাশ:| শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি , ২০১৪ সময় ০৫:২৯ অপরাহ্ণ

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেইড চিড়িয়াখানায় থাকা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী ‘গ্রেটার’ নামের ফ্ল্যামিঙ্গো পাখিটি আর নেই। ফ্ল্যামিঙ্গোটির প্রজাতির নামাসুরেই তার নামকরণ করা হয়েছিল। গ্রেটার ৮৩ বছর বয়সে মারা গেছে। ১৯৩৩ সালে অ্যাডিলেইড চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছিল গ্রেটারকে। বয়সের কারণে সৃষ্ট শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায় গ্রেটার। অ্যাডিলেইড চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ গ্রেটারের মৃত্যুকে খুবই দুঃখজনক হিসেবে বর্ণনা করে বলেছে, গ্রেটারের জীবনমানকে আরও উন্নত করার জন্য অন্য কোন চিকিৎসায় কাজ হতো না। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সাধ্যমতো চেষ্টা করলেও, গ্রেটারকে বাঁচানো যায়নি। গ্রেটারের দীর্ঘদিনের বন্ধু ছিল ‘চিলি’ নামের অপর এক ফ্ল্যামিঙ্গো। চিলি থেকে ওই পাখিটিকে আনা হয়েছিল চিড়িয়াখানায়। চিলির বয়স ৬০ বছরের কোঠায়। গ্রেটারের মৃত্যুর পর চিলির কি ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। জু সাউথ অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী এলেইন বেনস্টেড বলেছেন, গ্রেটার বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ফ্ল্যামিঙ্গো হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত এবং অস্ট্রেলিয়ার সর্বশেষ গ্রেটার প্রজাতির ফ্ল্যামিঙ্গো। ওই চিড়িয়াখানার কর্মীরা বলছিলেন, রেকর্ডে দেখা গেছে দক্ষিণ আমেরিকার একটি চিড়িয়াখানায় ৬৭ বছর বয়স পর্যন্ত একটি ফ্ল্যামিঙ্গো পাখি বেঁচে ছিল। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। তবে, বন্য পরিবেশে কোন পাখি এতোদিন বাঁচে না বলেও জানান তারা। কারণ, তারা সেখানে শিকারী কোন প্রাণীর খাবারে পরিণত হয় বা অসুখে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। অন্যদিকে, চিড়িয়াখানায় তাদের দেখাশোনার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে পশু-চিকিৎসকরা সজাগ দৃষ্টি রাখেন। খাঁচায় বা এনক্লোজারে থাকা ফ্ল্যামিঙ্গো যদিও বেশ কয়েক দশক বন্দি অবস্থায় কাটিয়ে দিতে পারে। বন্য পরিবেশে এরা ২৫ বছরের বেশি বাঁচে না।