অর্থমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া উচিত:ইউনূস সেন্টার

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২ জুলাই , ২০১৩ সময় ১০:৫৯ অপরাহ্ণ

অর্থমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া উচিত:ইউনূস সেন্টার

জাতীয় সংসদে গ্রামীণ ব্যাংক নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনূস সেন্টার। গত ২৬ জুন সংসদে প্রদত্ত অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘মিথ্যা’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। আজ মঙ্গবার ইউনূস সেন্টারের এই প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রতিবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দেশের অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে একজন সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংসদে দাঁড়িয়ে এ ধরনের মিথ্যা তথ্য কেউ আশা করে না। গ্রামীণ সামাজিক ব্যবসার প্রতিষ্ঠানগুলো সবই ইউনূসের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান—অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের এ ধরনের বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। গ্রামীণ নামধারী সামাজিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলি ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। প্রফেসর ইউনূস বিভিন্ন সময়ে বহুবার বলেছেন—কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে তার ব্যক্তিগত একটি শেয়ারও নেই। অর্থমন্ত্রী যদি একটি কোম্পানিও দেখাতে পারেন, যেখানে ড. ইউনূসের এক বা একাধিক ব্যক্তিগত শেয়ার আছে তাহলে মন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ করার আর কোনো প্রয়োজন থাকবে না। যদি তা দেখাতে না পারেন, তাহলে সংসদে একজন সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দেয়ার জন্য অর্থমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া উচিত।’

ড. ইউনূস গ্রামীণফোন থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা ডিভিডেন্ড নিয়েছেন—অর্থমন্ত্রী এ বক্তব্য দিয়েছেন উল্লেখ করে ইউনূস সেন্টার জানায়, ‘যে প্রতিষ্ঠানে ড. ইউনূসের কোনো শেয়ার নেই, এমনকি স্টক মার্কেট থেকে কেনা শেয়ারও নেই, সেখান থেকে ড. ইউনূস কী ভাবে কয়েক হাজার কোটি টাকা ডিভিডেন্ড নিলেন, সেটা অর্থমন্ত্রীকে সংসদের নিকট এবং তার মাধ্যমে জাতির নিকট ব্যাখ্যা করে বলতে হবে। অথবা মিথ্যা বলার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।’

ইউনূস সাহেবের কোম্পানিগুলোর পরিচালক ছিলেন তার তিন ভাই, বাকি কয়েকজন উনি নিয়োগ করেন, যারা লভ্যাংশ নেন না—অর্থমন্ত্রী এমন বক্তব্য দিয়েছেন অভিযোগ করে উউনূস সেন্টার জানায়, ‘ড. ইউনূসের মাত্র দুই ভাই ঢাকাতে থাকেন। তারা হলেন প্রফেসর মুহাম্মদ ইব্রাহীম এবং মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর। মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর ড. ইউনূসের কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে যুক্ত নন। প্রফেসর ইব্রাহীম তার নিজস্ব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার কারণে চারটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদের সদস্য। এই চারটি প্রতিষ্ঠানই মুনাফাবিহিন স্বেচ্ছাসেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এতে পরিচালনা পর্ষদের কারো আর্থিক সুবিধা পাবার কোনো উপায় নেই। প্রফেসর ইউনূসের অন্য কোনো ভাই গ্রামীণ নামধারী কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে যুক্ত নন।


আরোও সংবাদ