অভিলাষ’র ছড়াগুলো আমাকে প্রাণের আনন্দে মাতিয়েছে

প্রকাশ:| সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি , ২০১৭ সময় ১০:২২ অপরাহ্ণ

দাঁড়ি কমা থেকে প্রকাশিত অভিলাষ মাহমুদের ছড়ার বই এখন বাজারে। দাম মাত্র ৫৫ টাকা।

বই প্রসঙ্গে  “““তরুণ ছড়াশিল্পী অভিলাষ মাহমুদের ছড়াগুলো আমাকে প্রাণের আনন্দে মাতিয়েছে খুব। ছন্দময় অন্তমিলে তার কল্পলোকের অনবদ্য মুগ্ধ হয়েছি । তার ভেতরের অরাধনাময় সজাগ আত্মাটা তাকে দিয়ে সম্ভব কওে তুলেছে শিশুমনের খুব গভীরে অলগোছে ডুব দিতে । শুরুতে ‘মায়ের মুখ’ শেষ ছড়া খেয়াল খুশির বাবা মুগ্ধকর । কত সুন্দর করে মধুর ভাষা বাংলা ছড়াটিতে বলেছেন অভিলাষ ঃ

বিশ্ববাসী অবাক হলো/ এমন কথা শুনে ,
আমরা পেলাম মধুর ভাষা/ ভাইয়ের তাজা খুনে ।
দ্রেহের খুনে লাল হয়েছে/ কৃষ্ণচূড়া ফুল ,
মধুর ভাষায় বলতে কথা/ হৃদয় যে ব্যাকুল ।

আবার লাল-সবুজ পতাকা’য় তার উচ্চারণ :

জন্মেছি এই সোনার দেশে/ দেশের সেবা করবো,
পথের বাধা মানবো নাকো/ প্রয়োজনে মরবো ।
তাকিয়ে দেখুন দেশের দিকে/ কেমন দেশের হাল ?
কারা কওে দেশের ক্ষতি / করবে কত কাল?

এমন অনেক ঐতিহাসিক ও সম্প্রতিক ঘটনার হৃদয় আর বিবেক ছোঁয়া পঙক্তির জনক অভিলাষকে জানাই সতেজ অভিনন্দন । ওর ছড়ার সোনা রথের শীর্ষে ভিড় করুক আরও মখমল কাব্য । অফুরান সৌন্দর্য আর নান্দনিকতা ঘিরে রাখুক অভিলাষকে মায়ের চোখের মত সর্বক্ষণ।””” এমন ভাবেই লিখেছেন বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিভাবান কবি  হাফিজ রশিদ খান।

অভিলাষ মাহমুদ লেখালেখির জন্য হাসিমুখে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ মেনে নিয়েছেন; সয়েছেন নানান জনের নানা ভৎসনা লেখালেখির জন্য এমনই এক অন্তঃপ্রাণ ব্যক্তি কবি, ছড়াশিল্পী ও গল্পকার অভিলাষ মাহমুদ। তিনি আপাদমস্তক সাহিত্যকে ধারণ করে আছেন। তার পোশাকেও তিনি সাহিত্যের ছাপ রেখেছেন। তাঁর পিতার নাম মুহাম্মদ ইদ্রিস ও মাতার নাম ছেনোয়ারা বেগম। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। অভিলাষ মাহমুদের শখ বই পড়া ও ভ্রমণ আর প্রিয় খেলা দাবা। তার লেখালেখির সূচনা ১৯৯৯সালে। ২০০৬সালে প্রথম একটি স্থানীয় পত্রিকায় তার লেখা প্রকাশিত হয়। তার বাবার উপদেশ,”কারো সাথে মিথ্যা না বলা ও কাউকে না ঠকানো”-এই দু’টি উপদেশ ধারণ করে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন। অভিলাষ মাহমুদের জন্ম চট্রগ্রাম শহরের পূর্ব বাকলিয়ায় অবস্থিত বলির হাটে। তনি “অভিলাষ” নামে একটি ত্রৈমাসিক লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রামের প্রথম ২৪ ঘন্টার অনলাইন পত্রিকা “নিউজচিটাগাং২৪” এর এ্যাসিস্ট্যান্ট সাব এডিটর হিসেবে কর্মরত। তার ইচ্ছা তিনি নবীন ও প্রবীণ লেখকদের জন্য কিছু করে যাবেন।এই লক্ষ্যে তিনি “অভিলাষ প্রকাশনী” নামে একটি প্রকাশনী প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।