অবৈধ সরকারকে পদত্যাগ করে এখনই নির্বাচন দিতে হবে

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৫ আগস্ট , ২০১৪ সময় ১১:৩৩ অপরাহ্ণ

আবারও মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি তুলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, k‘৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপিসহ অধিকাংশ দলই অংশ নেয়নি। যে নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ ছিল না, সেই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি অবৈধ সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। তাই অবৈধ সরকারকে পদত্যাগ করে এখনই নির্বাচন দিতে হবে। না হলে গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতার মসনদ থেকে টেনে নামানো হবে। তখন আন্দোলনের মুখে সরকার পালানোর পথ খুঁজে পাবে না।’

বগুড়ায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মোত্সব উপলক্ষে আজ শুক্রবার আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

সরকার পতনের আন্দোলনের জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রস্তুতির আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দেশ এখন গভীর রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে। বর্তমান সরকার মিথ্যাবাদী ও অবৈধ। এই সরকারে অবৈধ কর্মকাণ্ড আর চলতে দেওয়া যায় না। এই অবৈধ সরকারের পতন ঘটাতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। জয় আমাদের হবেই।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৬৯তম জন্মদিন পালন উপলক্ষে বগুড়া জেলা বিএনপি আজ শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় একটি চার তারকা হোটেলে জন্মোত্সবের আয়োজন করে। এতে ৬৯ পাউন্ড ওজনের একটি কেক কাটা হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে চেয়ারপারসনের জন্মোত্সবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, ‘শেখ মুজিব বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিলেন। শেখ হাসিনাও বিনা ভোটের নির্বাচনে ক্ষমতায় গিয়ে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে চাচ্ছে। গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করাতে হবে। এজন্য বিএনপির নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ সরকারবিরোধী আন্দোলনে একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ভালো করেই জানে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ নির্বাচন হলে তারা কখনো জিততে পারবে না। এ জন্য তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানতে চায় না। তারা নিয়ম রক্ষা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে আরেক দফা বাকশাল কায়েম করতে চায়। এ জন্য সম্প্রচার নীতিমালা তৈরি করে গণমাধ্যমের মুখ বন্ধ করে দিতে চায়। অবিলম্বে সম্প্রচার নীতিমালা বাতিল না করলে আন্দোলনের মাধ্যমে তা বাতিল করতে বাধ্য করা হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর শাহে আলম, সাবেক সাংসদ হেলালুজ্জামান তালুকদার, বগুড়া পৌরসভার মেয়র এ কে এম মাহাবুবর রহমান প্রমুখ।