অবৈধ মৎস্য নিধন রোধে অভিযান পরিচালনা হবে

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই , ২০১৭ সময় ০৯:২৫ অপরাহ্ণ

সামূদ্রিক মাছের প্রজনন বাড়াতে সাগরে অবৈধ মৎস্য নিধন অভিযান পরিচালনা হবে বলে জানালেন চট্রগ্রাম অতিরিক্ত জেলার প্রশাসক হাবিবুর রহমান্। তিনি আজ বিকেলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ শুরু কল্পো আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান।
দেশের চাষ উপযোগী প্রতিটি জলাশয়ের সর্বোচ্চ উৎপাদনশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘মাছ চাষে গড়বো দেশ বদলে দেব বাংলাদেশ’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সকল অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছর ও ১৮-২৪ জুলাই দেশব্যাপী জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৭ উদযাপিত হতে যাচ্ছে।
সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রামেও শুরু হচ্ছে ৭ দিনব্যাপী জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ।
এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য দপ্তর সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবিবুর রহমান এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি’ত ছিলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, উন্নত প্রযুক্তির মৎস্যচাষ সম্প্রসারণ, উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, মৎস্য আবাসস’ল উন্নয়ন, অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, জাটকা সংরক্ষণ, মৎস্যচাষী ও মৎস্যজীবীদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং মাঠ পর্যায়ে গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণসহ ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। ফলে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে মাছ আহরণে বিশ্বে ৪র্থ স’ান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে, যা মৎস্য খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।
তিনি আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক উভয় ধরনের মৎস্যসম্পদের এমন বিশাল ভাণ্ডার সারাবিশ্বে বিরল। অমিত সম্ভাবনাময় আমাদের সমুদ্র সম্পদের সর্বোচ্চ ও সহনশীল ব্যবহার প্রয়োজন। ঐতিহাসিক সমুদ্র বিজয়ের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে তলদেশীয় ও ভাসমান মৎস্য আহরণের এক নবদিগন্তের সূচনা হয়েছে। সরকার আমাদের সমুদ্রসীমায় গবেষণা ও জরিপকাজ পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার মাছের মজুদ নির্ণয় এবং মৎস্য আহরণক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ ও সর্বোচ্চ আহরণমাত্রা নির্ধারণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষে আর ভি মীন সন্ধানী নামে একটি অত্যাধুনিক জরিপ ও গবেষণা জাহাজ সংগ্রহ করা হয়েছে।
সভায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মমিনুল হক, উপপরিচালক প্রভাতীদেব সহ মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপসি’ত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি


আরোও সংবাদ