অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার শেষ চেষ্টা করছে

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৭ আগস্ট , ২০১৮ সময় ১১:৫০ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে বানোয়াট অডিও ফোনালাপ ব্যবহার করে সরকার তাদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার শেষ চেষ্টা করছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেও অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। সরকার আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন করার যে প্রকল্প হাতে নিয়েছে এটা সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ। আমির খসরুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র চট্টগ্রামবাসী রুখে দিবে

তিনি আজ (৭আগস্ট) মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নাসিমনভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুৃরীর মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

শাহাদাত বলেন, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের দাবী কোন দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির ছিল না, তাদের দাবী ছিল সার্বজনীন। অথচ এ আন্দোলনে কোন সংগঠন ঢুকেছে বলে অবৈধ ক্ষমতাবিলাসীরা নৃশংস আক্রমণ শুরু করে রক্ত ঝরিয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। প্রতারণা ও প্রলোভনের কৌশলে ব্যর্থ হয়ে তারণ্যের আন্দোলনকে এরা সব সময় নির্মম নিষ্ঠুরতায় দমন করেছে। গণতন্ত্রকে ছুরিকাহত, মানুষের মৌলিক অধিকারকে বিপন্ন ও রক্তপাতই আওয়ামীলীগের ঐতিহ্য।

প্রতিবাদ সভায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে যে সাজা দেওয়া হয়েছে তা বিচারের নামে অবিচার হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমাতে ব্যর্থ হয়ে জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মিথ্যা অডিও ফোনালাপ প্রচার করছে। দেশে কোন যৌক্তিক আন্দোলন শুরু হলেই সরকার অডিও প্রচার করে বিএনপি নেতাদের দোষারোপ করে।

সমাবেশর থেকে তিনি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বিজভী আহামদ ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমিরি খসরু মাহমামুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দয়েরকৃত রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।এসময় নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, সরকার তাদের অপকর্মের কৌশল হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর অডিও ফোনালাপ প্রচার করেছে। দেশের জনগণ তাদের এ অপকৌশল বুঝে গেছে। আওয়ামীলীগের ভিত নড়ে গেছে, তাদের আর শেষ রক্ষা হবে না। অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াকে নি:শর্ত মুক্তি দিতে হবে।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিএনপি কেন্দ্রীয় সদস্য এম শামছুল আলম, মহানগর নেতা এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, হাজী মো: আলী, জয়নাল আবেদীন জিয়া, সুবক্তিগীন সিদ্দীকি মক্কি, হারুন জামান, সফিকুর রহমান স্বপন, সৈয়দ আহমদ, সাবেক কমিশনার মাহাবুবুল আলম, এডভোকেট মফিজ উল হক ভূঁইয়া, কামাল উদ্দিন কন্ট্রাক্টর, ইকবাল চৌধুরী, এম এ হান্নান। সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন মো: শাহ আলম, ইস্কান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গির আলম দুলাল, কাউন্সিলর আবুল হাসেম, মনজুর আলম মনজু, আনোয়ার হোসেন লিপু, মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, কামরুল ইসলাম, সাবেক কমিশনার হাজী মো. তৈয়ব, প্রচার সম্পদক সিহাব উদ্দিন মুবিন, শামছুল আলম (ডক), হাজী সালাউদ্দিন, মো. শাহ আলম, আবু জহুর, জহির আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, ইঞ্জিনিয়ার কে. এম সুফিয়ান, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, ডা: এস এম সরওয়ার আলম, নুরুল মনজুর রহমান চৌধুরী, কাউন্সিলর মো. আজম, মো. সেকান্দর, মো. হানিফ সওদাগর, ডা: নুরল আফসর, আবদুল্লাহ আল হারুন, এ কে এম পেয়ারু, মো: সেলিম, মো: রফিকুল ইসলাম, মো: ইদ্রিস আলী প্রমুখ।