অবৈধভাবে দর্জি ব্যবসায়ীকে শেড থেকে উচ্ছেদ করল একটি চক্র

প্রকাশ:| রবিবার, ১২ এপ্রিল , ২০১৫ সময় ০৮:৫৬ অপরাহ্ণ

কাপ্তাই প্রতিনিধি:
জেলা বাজার ফান্ড কর্তৃক ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীদের জন্য নির্মিত শেড থেকে এক দর্জি ব্যবসায়ীর দোকানে জোর পূর্বক তালা মেরে ওই ব্যবসায়ীকে দোকান থেকে বের করে দিয়েছে একটি চক্র। ভ্রাম্যমান এসব শেড ভাড়া দেওয়ার কোন বিধান নেই। তথাপি ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সালামী ও নিয়মিত মাসিক ভাড়া আদায় করার পরও ওই চক্রটি দোকানে তালা মেরে তাকে উচ্ছেদ পাঁয়তারা করছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৯ এপ্রিল রাঙ্গামটি বাজার ফান্ড প্রশাসনের আওতাধীন কাপ্তাই নতুন বাজারের ১৬১নং শেডে। ভুক্তভোগি মো: আমির হোসেন জানান, গত ১০/১২ বছর যাবত নিয়মিত দেড় হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে ভ্রাম্যমান উক্ত শেডটিতে সে দর্জি ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এ থেকে অর্জিত অর্থ দিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে কোন মতে জীবিকা নির্বাহ করছে আমির হোসেন। ইতিমধ্যে তার ১২-৯-২০১৪ সালের আবেদনের প্রেক্ষিতে ৩১-০৩-২০১৫ তারিখে উক্ত ১৬১নং শেডের মধ্যে ৬দ্ধ৮=৪৮ বর্গফুট পরিমাপের জায়গাটি বার্ষিক ২৪০০ টাকা খাজনা পরিশোধ পূর্বক জেলা বাজার ফান্ড প্রশাসন কর্তৃক তাকে ব্যবসা করার অনুমতিপত্র প্রদান করা হয়। যার স্মারক নং-মিসঃ ২৪/১৪-১৫/২৩৫ (৪) বিপি। তথাপি নিয়ম বহির্ভূত ভাবে ঘটনার দিন গভীর রাতে মো: আবুল হোসেন বাবুল, পিতা- সামশুল হক এর নেতৃত্বে কতিপয় চক্র নিয়ম বহির্ভত ভাবে আমির হোসেনের দোকানে তালা মেরে তাকে বের করে দেয়। দোকানে তালা মারার কারণে আমির হোসেনের উপর্জনও বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সে স্ত্রী সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এঘটনায় কাপ্তাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। এব্যাপারে কাপ্তাই থানার এএসআই ফারুক জানান, একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন বাজার বণিক কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাবিলদার কবির জানান, দোকানে তালা মারা বৈধ হয়নি। বণিক কল্যান সমিতির সভাপতি সামশুল ইসলাম আজমির বলেন, বিষয়টি নিয়ে রোববার বৈঠক হওয়ার কথা। সমাধানের চেষ্টা করা হবে। অভিযোক্ত মোঃ আবুল হোসেন বাবুলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য একাধিক বার তার মোবাইলে কল করা হলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। এব্যাপারে রাঙামাটি জেলা বাজার ফান্ড প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা ছাদেক আহমদ গত ১২ এপ্রিল কাপ্তাই থানার ওসি বরাবরে আমির হোসেনের অভিযোগের বিষয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর সুপারিশ করেন।