অবশেষে ৭৫০ শিক্ষার্থীর ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি , ২০১৭ সময় ১১:১৫ অপরাহ্ণ

মোবাইল অপারেটর কোম্পানি টেলিটকের মাধ্যমে প্রকাশিত ফলাফলে ত্রুটি থাকার অভিযোগে বাতিলকৃত নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারিত সময়ের ৫০ দিন পর অবশেষে প্রকাশ করেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে http://www.chittagong.gov.bd/) এ ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। মেধা তালিকায় মনোনিতদের আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) থেকে ২ মার্চের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, নগরীর ৮ সরকারি স্কুলের নবম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে মেধা তালিকা, অপেক্ষমান তালিকা ও কোটার ফলাফল ইতোমধ্যে আপলোড করা হয়েছে। এছাড়াও আবেদনকারীরা নির্ধারিত স্কুলগুলোতেও ফলাফল পাবে। যারা মেধা তালিকায় ভর্তির জন্য মনোনিত হয়েছে স্ব স্ব স্কুলে তাদের আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) থেকে ২ মার্চের মধ্যে ভর্তি হতে হবে। আর যারা কোটায় উত্তীর্ণ হয়েছে, ভর্তি চলাকালীন সময়ে তাদের কোটার সমর্থনে কাগজপত্রাদি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) থেকে যাচাই করে নিতে হবে। অন্যদিকে, শূন্য আসন থাকা সাপেক্ষে যারা ১ম মেধা তালিকায় রয়েছে তাদের আগামী ৫ মার্চ থেকে ৮ মার্চের মধ্যে স্ব স্ব স্কুলে ভর্তি হতে হবে।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মোবাইল অপারেটর কোম্পানি টেলিটকের মাধ্যমে প্রকাশিত ফলাফলে ত্রুটি থাকায় বাতিল করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বোর্ডের মাধ্যমে জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল যাচাই-বাচাই করে এবার এ ফলাফল দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, প্রকাশিত ফলাফলে কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেধা তালিকায় ১২৮ জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৭ জন, শিক্ষক কোটায় ৩ জন, প্রতিবন্ধী কোটায় ২ জনকে রাখা হয়েছে এবং ১ম অপেক্ষমান তালিকায় আরও ১৪০ জনকে রাখা হয়েছে। এ স্কুলে নবম শ্রেণির ১৪০ আসনে ১ হাজার ৫৬৮টি আবেদন জমা পড়েছিল।

সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় ৩৬ জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২ জন, শিক্ষক কোটায় ১ জন, প্রতিবন্ধী কোটায় ১ জনকে রাখা হয়েছে এবং ১ম অপেক্ষমান তালিকায় আরও ৪০ জনকে রাখা হয়েছে। এ স্কুলে নবম শ্রেণির ১৪০ আসনে ১ হাজার ২৬০টি আবেদন জমা পড়েছিল।

নাসিরাবাদ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় ১৩৬ জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৮ জন, শিক্ষক কোটায় ৩ জন, প্রতিবন্ধী কোটায় ৩ জনকে রাখা হয়েছে এবং ১ম অপেক্ষমান তালিকায় আরও ১৫০ জনকে রাখা হয়েছে। এ স্কুলের নবম শ্রেণির ১৫০ আসনে ১ হাজার ৫৮৫টি আবেদস জমা পড়েছিল।

চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় ৭২ জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৪ জন, শিক্ষক কোটায় ২ জন, প্রতিবন্ধী কোটায় ২ জনকে রাখা হয়েছে এবং ১ম অপেক্ষমান তালিকায় আরও ৮০ জনকে রাখা হয়েছে। এ স্কুলের নবম শ্রেণির আসনে ৮০ আসনে ৭৫৯টি আবেদন জমা পড়েছিল।

চট্টগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় ৫৫ জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩ জন, শিক্ষক কোটায় ১ জন, প্রতিবন্ধী কোটায় ১ জনকে রাখা হয়েছে এবং ১ম অপেক্ষমান তালিকায় আরও ৬০ জনকে রাখা হয়েছে। এ স্কুলের নবম শ্রেণির ৬০ আসনে ৮২৪টি আবেদন জমা পড়েছিল।

হাজী মুহাম্মদ মহসীন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় ৩৬ জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২ জন, শিক্ষক কোটায় ১ জন, প্রতিবন্ধী কোটায় ১ জনকে রাখা হয়েছে এবং ১ম অপেক্ষমান তালিকায় আরও ৪০ জনকে রাখা হয়েছে। হয়েছে। এ স্কুলের নবম শ্রেণির ৪০ আসনে ৪৫৫টি আবেদন জমা পড়েছিল।

বাকলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় ব্যবসায় শিক্ষায় (বালক) ১৯ জন ও(বালিকা) ২০ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগে (বালক) ১৯ জন ও (বালিকা) ১৯, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩ জনকে রাখা হয়েছে। এ স্কুলে ১ম মেধা তালিকায় আরও ৮০ জনকে রাখা হয়েছে। এ স্কুলের নবম শ্রেণির ৮০ আসনে (ছাত্র ৪০ ও ছাত্রী ৪০) ৮০৭টি (ছাত্র ৫১৩ ও ছাত্রীয় ২৯৪টি) আবেদন জমা পড়েছিল।

সিটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় ৫৬ জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩ জন, শিক্ষক কোটায় ১ জনকে রাখা হয়েছে এবং ১ম অপেক্ষমান তালিকায় আরও ৬০ জনকে রাখা হয়েছে। এ স্কুলের নবম শ্রেণির ৬০ আসনে ৩৯০টি আবেদন জমা পড়েছিল।


আরোও সংবাদ