অপহরণ ও চাঁদাদাবির ঘটনায় আ’লীগের নেতাসহ আসামী ৫

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর , ২০১৫ সময় ১১:৪৩ অপরাহ্ণ

মামলাকক্সবাজারের চকরিয়ায় ইয়াছিন আরফাত নামের এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও চাঁদাদাবির ঘটনায় আদালতের নিদের্শে অবশেষে মামলা নিতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ। অপহৃতের বাবা আব্বাস আহমদের আদালতে দায়ের করা নালিশি অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলাটি এন্ট্রি করা হয়। এতে চকরিয়া পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক রেজাউল করিমসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- মৃত সুলতান আহমদের ছেলে মো.ওসমান(৩৫), তার ভাই নাছির উদ্দিন(২৫), কফিল উদ্দিন(২৩), মোস্তাক আহমদের ছেলে জসিম উদ্দিন(৩৮)সহ অজ্ঞাত আরো চারজন।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো.জহিরুল ইসলাম খান বলেন, চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারকের নির্দেশের ফলে গত বৃহস্পতিবার রাতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।

বাদীর আইনজীবি এ্যাডভোকেট লুৎফুল কবির বলেন, গত ৫ ডিসেম্বর কাকারা ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার আব্বাস আহমদের ছেলে ব্যবসায়ী ইয়াছিন আরফাতকে মোটরসাইকেলসহ অপহরণ করে পৌর শহরের জনতা মার্কেটস্থ আওয়ামীলীগনেতা রেজাউল করিমের বাসায় আটকে রেখে মারধর করে এবং তাকে ছাড়তে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। ওই দিন রাতেই পুলিশ হাত-পাঁ বাঁধা অবস্থায় মোটরসাইকেলসহ ইয়াছিন আরফাতকে উদ্ধার করে।

তিনি আরো বলেন, ঘটনার পর ইয়াছিন আরফাতের বাবা আব্বাস আহমদ থানায় মামলা করতে চাইলে পুলিশ মামলা নিতে অপরাগতা প্রকাশ করে। মামলার বাদী গত ৯ ডিসেম্বর আদালতের আশ্রয় নেয়। ফলে আদালতের নির্দেশে ১০ ডিসেম্বর রাতে পুলিশ আর্জিটি মামলা হিসেবে এন্ট্রি করে।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো.জহিরুল ইসলাম খান বলেন, আমি মামলা নেব না বলিনি। চাঁদাবাজির শব্দটি বাদ দিয়ে এজাহার দিতে বলেছিলাম। যেহেতু বাদী আদালতের আশ্রয় নিয়েছে তাই আদালতের নিদের্শে মামলা এন্ট্রি করা হয়েছে । আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।


আরোও সংবাদ