অপহরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে উদ্ধার

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর , ২০১৬ সময় ০৮:৪২ অপরাহ্ণ

৫০ হাজার টাকার জন্য অপহরণের শিকার দুই বছরের এক শিশুকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করেছে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানা পুলিশ। একইসঙ্গে মূল অপহরণকারীসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।

%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%98%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%b6বৃহস্পতিবার (০৮ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলা থেকে শিশুটিকে উদ্ধারের পর দুজনকে আটক করা হয়েছে।

বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, নগরীর বাংলাবাজারে নিজ বাসা থেকে জান্নাতুল ফেরদৌস মাহি (২) অপহরণের শিকার হয়।  মাহির মা পোশাক কর্মী এবং বাবা রাজমিস্ত্রি।

তারা বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে থানায় গিয়ে অভিযোগ করে, তাদের সঙ্গে একই বাসায় যৌথভাবে থাকা সুমন ওইদিন বিকেল ৫টার দিকে মাহিকে চকলেট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে গেছে।  এসময় সুমন মাহির বাবার মোবাইলের সিমটিও খুলে নিয়ে যায়।

রাত ৮টার দিকে সুমন ফোন করে মাহিকে ফেরত দিতে হলে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।  অন্যথায় মাহিকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।  অভিযোগ পাওয়ার পরই সুমনের অবস্থান শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ।

অবস্থান শনাক্ত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে বায়েজিদ বোস্তামি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো.মঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টিম চকরিয়ায় যায়।  তারা নিজেদের পরিচয় গোপন করে মুক্তিপণ দেয়ার কথা বলে সুমনের আস্তানায় পৌঁছে যায় এবং মাহিকে উদ্ধার করে।  এসময় সুমনসহ দুজনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন বলেন, সুমন পরিচয় গোপন করে মাহিদের বাসায় সাবলেট ছিল।  তার আসল নাম সোহেল।  তার বাড়ির ঠিকানাও ভুল দিয়েছিল।  ধারণা করছি, সে অপহরণকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত।  অপহরণের উদ্দেশ্য নিয়ে সে বাসা ভাড়া নিয়েছিল।

তাদের নিয়ে পুলিশের টিম চকরিয়া থেকে নগরীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি