অনিয়মের শুধু তদন্ত হয়, হয়না শাস্তি

প্রকাশ:| বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর , ২০১৫ সময় ১১:৫৪ অপরাহ্ণ

:: নিউজচিটাগাং২৪ডটকম প্রতিবেদন ::

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষচট্টগ্রাম বন্দরের অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে গত আড়াই বছরে চারটি কমিটি হয়েছে। এর বাইরে দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) বন্দরের অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধান করছে। তিনটি তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দিলেও কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যানের অনিয়ম তদন্তে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান আতাহারুল ইসলামের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করে। এ কমিটি বিভিন্ন প্রকল্পে কেনাকাটাসহ বন্দর চেয়ারম্যানের অনিয়মের বিরুদ্ধে তদন্ত করে। গত ৯ এপ্রিল প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি। এতে তিনটি পুরোনো জাহাজ ক্রয় এবং কনটেইনার ব্যবস্থাপনায় স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি স্থাপনে অনিয়ম হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩-১৪ সালে তিনটি পুরোনো জাহাজ কেনা হয় ৪৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকায়। দরপত্রের সব শর্ত পূরণ না করেই ঢাকার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বন্দর কর্তৃপক্ষকে জাহাজ সরবরাহ করে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে জাহাজ ক্রয়ে ঠিকাদার নির্বাচনে বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ।

বন্দরের কনটেইনার ব্যবস্থাপনায় স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে নৌ মন্ত্রণালয় ২০১২ সালের নভেম্বরে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরের বছরের ফেব্রুয়ারিতে কমিটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত দুই কর্মকর্তাকে দায়ী করা হয়।

বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ বলেন, বন্দরের প্রতিটি কেনাকাটা বন্দরের বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে করা হয়েছে। পুরোনো তিনটি জাহাজ কেনা ও কনটেইনার ব্যবস্থাপনায় স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি নিয়ে কোনো আইন লঙ্ঘন হয়নি। আর এককভাবে আমি কেন দায়ী হব? চেয়ারম্যান হিসেবে এককভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো কেনাকাটা করা হয়নি। যেসব কেনাকাটা করা হয়েছে, তা বন্দরের প্রয়োজনেই করা হয়েছে।