অথচ তিনি মার্শাল ল জারি করেননি

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৮ মে , ২০১৫ সময় ০৭:১৩ অপরাহ্ণ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, ‘বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে অভিযুক্ত করে জাতীয় সংসদে মার্শাল ল নিয়ে নানা সমালোচনা করা হয়, অথচ তিনি মার্শাল ল জারি করেননি।’

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউটে জিয়াউর রহমানের ৩৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আলোচনা সভাটির আয়োজন করে।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের তখনকার নেতা খন্দাকার মোশতাক ১৯৭৫ সাল মার্শাল ল জারি করেছিলেন।’

মওদুদ বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন। বর্তমানে রাজনৈতিক শক্তিকে একত্রিত করে পুনরায় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনাই বিএনপির
নেতাকর্মীদের প্রধান কাজ হবে।’

নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ছিলেন আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তিনি
সারাদেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকে সু-সংগঠিত করেছিলেন।’ জিয়াউর রহমান কোনো ক্যু করেননি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

আলোচনায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তবে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অনুষ্ঠান স্থলে উপস্থিত হলেও মঞ্চে না গিয়ে দর্শক সারির সামনে তার জন্য রাখা নির্ধারিত চেয়ারে বসে বক্তব্য শুনেন।

এছাড়া আরো উপস্থিত আছেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্মমহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, চেয়ারপারসনের উপদ্ষ্টো আব্দুল মান্নান, শওকত মাহমুদ, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, যুববিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা শিরিন সুলতানা, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আকরামুল হাসান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ উপাচার্য খন্দাকার মোস্তাফিজুর রহমান, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীরবিক্রম, গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. জাফর উল্লাহ চৌধুরী।